"ইহুদিরা ৩০০ জন নবীকে হত্যা করেছে।"
বিভিন্ন রেওয়াত থেকে জানা যায় এই সংখ্যা আরও অধিক।
নবী রাসূলদেরকে ইহুদি জাতি ছাড়া অন্য কোনো জাতি হত্যা করেনি।
তারা হজরত যাকারিয়া আ: ও তাঁর পুত্র হজরত ইয়াহিয়া আ:-কে তারা হত্যা করেছে।
এবং হযরত ইলিয়াস আ:-কে হত্যার চেষ্টা করেছে।
তারা পবিত্র নারী হযরত মারিয়ম আ:-কে ব্যভিচারের অভিযোগ দিয়ে দূর্নাম ছড়িয়েছে।
হযরত ঈসা আ:-কে হত্যা করার জন্য ‘তায়তালানুস’ নামক এক পাপিষ্ঠকে ভাড়া করেছিল।
(ইবনে কাসীর/বিদায়া ওয়ান নিহায়া)
এমনকি আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী সা:-কেও নানাভাবে কষ্ট দিয়েছে। নববী যুগে মদিনায় বনু নাযীর, বনু কাইনুকা, বনী আউফ, খুযা, আউয, খাযরায নামে বিভিন্ন গোত্র ছিল। তিন তিনবার তারা মহানবী সা:কে হত্যার চেষ্টা করে।
কত বড় পিচাশ যাস্ট ফিল ইট।
" আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন- হে বনি ইসরাইল! তোমাদের প্রতি প্রদত্ত আমার নেয়ামতের কথা স্মরণ করো। আর আমি তোমাদের পুরো জগতের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি। (সূরা বাকারা : ৪৭)
ফিরাউনের জুলুম থেকে তাদের রক্ষা করেছেন।
আসমানি কিতাব দিয়েছেন। সিনাই বা তীহ ময়দানে প্রচণ্ড উত্তাপ থেকে বাঁচার জন্য ছায়া দান করেছেন।
মান্না ও সালওয়া নামক আসমানি খাদ্য দান করেছেন। পাথর থেকে ঝর্ণার সৃষ্টি করেছেন।
ফেরাউনের কবল থেকে বাঁচার জন্য লোহিত সাগরে ১২টি রাস্তা করে দিয়েছেন ইত্যাদি। কিন্তু তারা এসব নেয়ামতের শোকরিয়া আদায় করেনি উল্টো প্রতিবার অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শিরকে লিপ্ত হয়েছে।
শুধু কি তাই?
اِنَّ اللهَ فَقِيْرٌ وَّ نَحْنُ اَغْنِيَآءُ .
"আল্লাহ দরিদ্র আর আমরা ধনী।"
আল্লাহ তাদের কথা শুনে বলেন- তারা যা বলে আমি তা লিখে রাখি এবং তারা নবীগণকে অন্যায়ভাবে যে হত্যা করেছে সেটাও। অতঃপর আমি তাদের, জলন্ত আগুনের স্বাদ গ্রহণ করাব। (সূরা আলে ইমরান (৩)
চিন্তা করছিলাম অধিকাংশ ইয়াহুদীরা মাথায় কালো ক্যাপ বা কিপ্পি কেন পড়ে?
উত্তর খুজতে যেয়ে অবাক!!
তাদের ধারণা মাথা খোলা রাখা হলে
আসমান থেকে গজব এসে মাথায় পড়বে।
তাদের বিকৃত তালমুদে আছে-"তুমি তোমার মাথা ঢেকে রাখো,যেন আসমানের কোনো ক্রোধ ও গজব তোমার উপর পতিত না হয়।’
ওরা যে পরিমাণ অন্যায় করছে তাতে টুপি ক্যান মাথায় পাহাড় নিয়ে ঘুরলেও গজব পড়বে।
তাদের কাছে যখনই কোন নবীকে পাঠানো হতো ওরা তার বিরুদ্ধে আস্ফালন দেখাত।
কোন কিতাব পাঠানো হলে নিজেদের পছন্দের বাহিরে সকল বিধান ই অস্বীকার করতো।
অবাধ্যতার কারণে আল্লাহ তাআলা কিছুদিন এদেরকে দুর্ভিক্ষ দিলে তারা বলে-
'আল্লাহ কৃপন"(নাউজুবিল্লাহ)
আল্লাহ বলেছেন-বরং তারা নিজেরা কৃপণ এবং তাদের কথার কারণে তাদের ওপর লানত বর্ষণ করা হয়েছে।
( সূরা মায়িদা (৫)
(তাফসীরে তাবারী; তাফসীরে কুরতুবি)
ব্যাক্তি জীবনেও প্রচুর কৃপণ।
আত্নীয়তার সম্পর্ক নষ্টকারি।
ওয়াদা ও চুক্তিভঙ্গ করা, বিশ্বাসঘাতকতা, খেয়ানত ও গাদ্দারি, খুন-খারাবি, পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি, যুদ্ধ-বিগ্রহ জিইয়ে রাখা, অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ গ্রাস করাসহ এমন হেন অপরাধ নেই, যা তাদের ব্যাক্তি জীবনে সম্পৃক্ততা নেই।
كُلَّمَاۤ اَوْقَدُوْا نَارًا لِّلْحَرْبِ اَطْفَاَهَا اللهُ وَ يَسْعَوْنَ فِي الْاَرْضِ فَسَادًا، وَ اللهُ لَا يُحِبُّ الْمُفْسِدِيْنَ.
তারা যখনই যুদ্ধের আগুন জ্বালায়, আল্লাহ তা নিভিয়ে দেন। তারা পৃথিবীতে অশান্তি বিস্তার করে বেড়ায়, অথচ আল্লাহ অশান্তি বিস্তারকারীদেরকে পছন্দ করেন না। -সূরা মায়িদা (৫) : ৬৪
ইমাম কুরতুবী রাহ. বলেন, ওদের সব থেকে বড় অভ্যাস হলো ফাসাদ তৈরী করে ইসলাম ও মুসলমানদের মিটিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করা।
এখন পর্যন্ত ওরা এই কাজে লিপ্ত। ইয়াহুদিরা মৃত্যুকে ভীষণ ভয় পায় যে কারণে বেচে থাকার জন্য,ভালো থাকার জন্য যত অপরাধ ই করা হোক তা ওদের কাছে সম্পুর্ন হালাল।
এবং ওরা ফেরাউনের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কোন মুসলিম শিশুকেও নিরাপদ মনে করেনা।
ওদের ধারণা মুসলিম শিশুরা ওদের বড় শত্রু।ওরা বড় হলেই ইয়াহুদী জাতির বিনাশ ঘটাবে।
তাই সবার আগে স্কুলে,হাসপাতালে আঘাত হানাটাই ওদের কাছে বেশি যুক্তিযুক্ত।
বিস্তারিত জানতে জায়ানিজম নিয়ে অধ্যায়ন করুন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন