মাজহাবী ইমামদের "তাকলিদ" সম্পর্কে হানাফি দেওবন্দী, কওমি ও সুন্নীদের ধারনা ও নীতি🚦📣 ‼️
১! আবুল হাসান কারখী হানাফি বলেছেনঃ আসল কথা হল, প্রত্যেকটি কুরআনের আয়াত বা হাদীস যা আমাদের মাজহাব প্রনেতাদের (ফক্বীহদের) মতের বিপরীত হবে, সেগুলোকে "মানসূখ" (রহিত) কিংবা মারজুহ (অগ্রহণযোগ্য) হিসাবে গন্য করতে হবে‼️
সুত্রঃ (উসূলুল কারখী, পৃষ্ঠা ২৯, মাজমূ আহ্ ক্বাওয়ায়েদুল ফিক্বহ্,পৃষ্ঠা নং১৮)
২! মুফতি মুহাম্মদ তক্বী ওসমানী দেওবন্দী লিখেছেনঃ কোন মুকাল্লীদের দৃষ্টিতে, মুজতাহিদের কোন সিদ্ধান্ত হাদীস পরিপন্থী হলেও চক্ষু বুঝে তাকে (মুকাল্লীদকে) মেনে নিতে হবে‼️
সূত্রঃ ( মাজহাব কি ও কেন? ৭২ পৃষ্ঠা)
৩! নাসিরুদ্দিন চাঁদপুরী দেওবন্দী লিখেছেনঃ ইমাম মুজতাহিদের কথার খেলাপ কোন সহীহ হাদীস পেলেও একজন সাধারণ "আলেমের" জন্যও ইমামের রায় ছেড়ে হাদীসের উপর আমল করা জায়েজ নেই‼️
সূত্রঃ (ইমাম মানবো কেন? ৪০ পৃষ্ঠা)
৪! আসামের মুফতী আব্দুল মালিক ক্বাসেমী দেওবন্দী লিখেছেনঃ
ইমাম মুজতাহিদের কোন কথার খিলাপ কোন সহীহ হাদীস পেলে একজন সাধারণ "আলেমের" জন্য ইমামের রায় ছেড়ে হাদীসের উপর আমল করা জায়েজ নেই‼️
সূত্রঃ (মাজহাব পরিচিতি, ৬৫ পৃষ্ঠা)
৫! মুফতী আহম্মেদ ইয়ার খাঁন নাঈমী ব্রেলভী লিখেছেনঃ
চার মাজহাব ছাড়া অন্য কোন মাজহাবের তাকলিদ বা অনুসরণ করা মোটেও জায়েজ নয়, যদিও সেই মাজহাব সাহাবিদের উক্তি বা সহী হাদীস ও কুরআনের আয়াতের সাথে সংগতিপূর্ণ
হয়‼️
সূত্রঃ (জা-আল হক্ব২/৩০ পৃষ্ঠা, বাংলা অনুবাদ জে কে প্রকাশনী ৩য় সংস্করণ ২৩ সেপ্টেম্বর)
#সবাই_বলিঃ_নাউজুবিল্লাহ 🤲
মহান আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
يَوْمَ تُقَلَّبُ وُجُوهُهُمْ فِى النَّارِ يَقُولُونَ يٰلَيْتَنَآ أَطَعْنَا اللَّهَ وَأَطَعْنَا الرَّسُولَا۠
আগুনে যেদিন তাদের মুখ উপুড় করে দেয়া হবে সেদিন তারা বলবে- হায়! আমরা যদি আল্লাহকে মানতাম ও রসূলকে মানতাম।
وَقَالُوا رَبَّنَآ إِنَّآ أَطَعْنَا سَادَتَنَا وَكُبَرَآءَنَا فَأَضَلُّونَا السَّبِيلَا۠
আর তারা বলবে- হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা আমাদের নেতাদেরকে ও আমাদের প্রধানদেরকে মান্য করতাম। তারাই আমাদেরকে গুমরাহ করেছিল।
رَبَّنَآ ءَاتِهِمْ ضِعْفَيْنِ مِنَ الْعَذَابِ وَالْعَنْهُمْ لَعْنًا كَبِيرًا
হে আমাদের পালনকর্তা! তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দাও আর তাদেরকে মহা অভিশাপে অভিশাপ দাও।
[সুরা নং-৩৩, আয়াত - ৬৬,৬৭,৬৮]
১! আবুল হাসান কারখী হানাফি বলেছেনঃ আসল কথা হল, প্রত্যেকটি কুরআনের আয়াত বা হাদীস যা আমাদের মাজহাব প্রনেতাদের (ফক্বীহদের) মতের বিপরীত হবে, সেগুলোকে "মানসূখ" (রহিত) কিংবা মারজুহ (অগ্রহণযোগ্য) হিসাবে গন্য করতে হবে‼️
সুত্রঃ (উসূলুল কারখী, পৃষ্ঠা ২৯, মাজমূ আহ্ ক্বাওয়ায়েদুল ফিক্বহ্,পৃষ্ঠা নং১৮)
২! মুফতি মুহাম্মদ তক্বী ওসমানী দেওবন্দী লিখেছেনঃ কোন মুকাল্লীদের দৃষ্টিতে, মুজতাহিদের কোন সিদ্ধান্ত হাদীস পরিপন্থী হলেও চক্ষু বুঝে তাকে (মুকাল্লীদকে) মেনে নিতে হবে‼️
সূত্রঃ ( মাজহাব কি ও কেন? ৭২ পৃষ্ঠা)
৩! নাসিরুদ্দিন চাঁদপুরী দেওবন্দী লিখেছেনঃ ইমাম মুজতাহিদের কথার খেলাপ কোন সহীহ হাদীস পেলেও একজন সাধারণ "আলেমের" জন্যও ইমামের রায় ছেড়ে হাদীসের উপর আমল করা জায়েজ নেই‼️
সূত্রঃ (ইমাম মানবো কেন? ৪০ পৃষ্ঠা)
৪! আসামের মুফতী আব্দুল মালিক ক্বাসেমী দেওবন্দী লিখেছেনঃ
ইমাম মুজতাহিদের কোন কথার খিলাপ কোন সহীহ হাদীস পেলে একজন সাধারণ "আলেমের" জন্য ইমামের রায় ছেড়ে হাদীসের উপর আমল করা জায়েজ নেই‼️
সূত্রঃ (মাজহাব পরিচিতি, ৬৫ পৃষ্ঠা)
৫! মুফতী আহম্মেদ ইয়ার খাঁন নাঈমী ব্রেলভী লিখেছেনঃ
চার মাজহাব ছাড়া অন্য কোন মাজহাবের তাকলিদ বা অনুসরণ করা মোটেও জায়েজ নয়, যদিও সেই মাজহাব সাহাবিদের উক্তি বা সহী হাদীস ও কুরআনের আয়াতের সাথে সংগতিপূর্ণ
হয়‼️
সূত্রঃ (জা-আল হক্ব২/৩০ পৃষ্ঠা, বাংলা অনুবাদ জে কে প্রকাশনী ৩য় সংস্করণ ২৩ সেপ্টেম্বর)
#সবাই_বলিঃ_নাউজুবিল্লাহ 🤲
মহান আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
يَوْمَ تُقَلَّبُ وُجُوهُهُمْ فِى النَّارِ يَقُولُونَ يٰلَيْتَنَآ أَطَعْنَا اللَّهَ وَأَطَعْنَا الرَّسُولَا۠
আগুনে যেদিন তাদের মুখ উপুড় করে দেয়া হবে সেদিন তারা বলবে- হায়! আমরা যদি আল্লাহকে মানতাম ও রসূলকে মানতাম।
وَقَالُوا رَبَّنَآ إِنَّآ أَطَعْنَا سَادَتَنَا وَكُبَرَآءَنَا فَأَضَلُّونَا السَّبِيلَا۠
আর তারা বলবে- হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা আমাদের নেতাদেরকে ও আমাদের প্রধানদেরকে মান্য করতাম। তারাই আমাদেরকে গুমরাহ করেছিল।
رَبَّنَآ ءَاتِهِمْ ضِعْفَيْنِ مِنَ الْعَذَابِ وَالْعَنْهُمْ لَعْنًا كَبِيرًا
হে আমাদের পালনকর্তা! তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দাও আর তাদেরকে মহা অভিশাপে অভিশাপ দাও।
[সুরা নং-৩৩, আয়াত - ৬৬,৬৭,৬৮]

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন