অলসতা, অধিক বার্ধক্য, গোনাহ এবং ঋণ থেকে মুক্তির দু’আ

অলসতা, অধিক বার্ধক্য, গোনাহ এবং ঋণ থেকে মুক্তির দু’আ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি ওয়াল মা-ছামি ওয়াল মাগরাম।

অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি অলসতা, অধিক বার্ধক্য, গোনাহ এবং ঋণ থেকে।                                                                                                                                              [বুখারী: ৬০০৭]

[দিনে ১ বার] সূরা আল ইমরানঃ [২৬-২৭]

৩.২৬। কুলিল্লাহুম্মা মালিকাল মুলকী তু’তিল মুলকা মান তাশাউ, ওয়া তানযি‘উল মুলকা মিম্মান তাশাউ, ওয়া তুয়িজ্জু মান তাশাউ, ওয়া তুজিল্লু মান তাশাউ, বিয়্যাদিকাল খাইরু, ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইয়্যীন কদীর।

৩.২৭। তূলিজুল্লাইলা ফিন্নাহারি, ওয়া তূলিজুন্নাহারা ফিল্লাইলী, ওয়া তুখরিজুল হাইয়্যা মিনাল মাইয়্যিতী, ওয়া তুখরিজুল মাইয়্যিতা মিনাল হাইয়্যী, ওয়া তারযুকু মান তাশাউ বিগাইরি হিসাব।

অর্থঃ ৩.২৬। বলুন, হে আল্লাহ! আপনি রাজ্যের মালিক। আপনি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান করেন এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য কেড়ে নেন। আপনি যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করেন এবং যাকে ইচ্ছা অপমানিত করেন। আপনার হাতেই রয়েছে সকল কল্যাণ। নিশ্চয়ই আপনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

৩.২৭। আপনি রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করান এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান। আপনি জীবিতকে মৃত থেকে বের করেন এবং মৃতকে জীবিত থেকে বের করেন। আপনি যাকে ইচ্ছা অগণিত রিযিক দান করেন।

ফজিলতঃ

-    কারও উপর ঋণের বোঝা চেপে থাকলে এই দু’আ নিয়মিত পাঠে ইনশাআল্লাহ তার সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ হয়ে যাবে।

 

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়া আউজু বিকা মিনাল আজযি ওয়াল-কাসালি, ওয়া আউজু বিকা মিনাল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া আউজু বিকা মিন দালাইদ-দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।

অর্থঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে।                              [বুখারী: ২৮৯৩]

-   দু’আটি ঋণ পরিশোধের নিয়ত ও প্রচেষ্টার পাশাপাশি সালাতের দুই সেজদার মাঝে বসে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি করা। বিশুদ্ধ নিয়তে আল্লাহর কাছে ঋণমুক্তির আশ্রয় কামনা করলে মহান আল্লাহ ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিদের তা থেকে মুক্ত করবেন ইনশাআল্লাহ।

 

আল্লাহুম্মা রাব্বাস সামাওয়াতিস সাব’য়ী ওয়া রাব্বাল আরশিল আজীম, রাব্বানা ওয়া রাব্বা কুল্লি শাইয়্যীন, মুনজিলাস সাউরাতি ওয়ালিখ বি’লি ওয়াল কুরআনিল আজিম, আন্তা আউলু ফালায়সা কবলাকা শাইয়্যুন, ওয়া আন্তা আ—খিরু ফালায়সা বা’দাকা শাইয়্যুন, ওয়া আন্তাজ জাহিরু ফালায়সা ফাউ ক’কা শাইয়্যুন, ওয়া আন্তাল বাতিনু ফালায়সা দুনাকা শাইয়্যুন, আকদী আন্নাদ্দায়না ওয়াগনিনা মিনাল ফাকরী।

অর্থঃ হে আল্লাহ! সাত আসমানের প্রতিপালক ও মহান আরশের প্রভু, আমাদের প্রতিপালক এবং প্রতিটি জিনিসের প্রতিপালক, তাওরাত, ইনজীল ও মহান কুরআন নাযিলকারী, তুমিই আদি, তোমার পূর্বে কিছুই নাই, তুমি অন্ত, তোমার পরেও কিছুই নাই, তুমিই প্রবল, বিজয়ী ও প্রকাশ্য, তোমার উপরে কিছুই নাই, তুমিই গুপ্ত, তুমি ছাড়া আর কিছু নাই। অতএব তুমি আমাদের ঋণ পরিশোধ করে দাও এবং আমাদেরকে দরিদ্রতা থেকে স্বাবলম্বী বানাও।                                                                                         [মুসলিম-২৭১৩, তিরমিজি-৩৪০০, ৩৪৮১, আবু দাউদ-৫০৫১]

দলিলঃ

-          রাসূল [সাঃ] দু’আটি ফাতেমা [রাঃ] ও আলী [রাঃ] কে দরিদ্রতা থেকে স্বাবলম্বী হবার জন্য শিখিয়েছিলেন।

লা হাউলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লাবিল্লাহ- লা মালজায়া মিনাল্লাহি ইল্লা ইলাইহি।   [৭ বার]

অর্থঃ আল্লাহর সাহায্য ছাড়া গুনাহ থেকে বিরত থাকা এবং নেক আমলে মশগুল হওয়া সম্ভব না। আল্লাহতায়ালার কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। তার কাছেই আশ্রয় গ্রহণ করতে হবে।

-    যে ব্যক্তি এ বাক্যগুলো সাতবার বলবে আল্লাহতায়ালা তার সত্তরটি অভাব দূর করবেন। [তন্মধ্যে] সবচেয়ে হাল্কা বিপদ হলো [মানুষের] অভাব।

মধ্যরাত বা রাতের দ্বিপ্রহরের পর ১০০ বার

আর-রাফিয়ু অর্থ হলো- ‘মুমিনদের মর্যাদা উঁচুকারী।-

ü  মধ্যরাত বা রাতের দ্বিপ্রহরের পর ১০০ বার পাঠ করলে, মহান আল্লাহ তাকে তার সৃষ্টির মধ্যে মনোনীত ও অর্থশালী করেন এবং অন্যের মুক্ষাপেক্ষীতা থেকে মুক্ত রাখেন।

ü  প্রতিদিন ঘুমানোর সময় ১০০ বার করলে সকল বিপদাপদ থেকে হিফাজত থাকবে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন