যে লোক এই তিনটি আয়াত ও হাদিস গুলো ভালো করে বুঝতে পারবে, সে সম্মিলিত মোনাজাত, জোরে জোরে চিল্লা ফাল্লা করে যিকির ইত্যাদি বিদআতি আমল থেকে বিরত থাকবে "ইনশা আল্লাহ"
মোনাজাত বা দোয়া করার নিয়ম আল্লাহ তাআলাই বলে দিয়েছেন ⤵️
তোমরা ধৈর্য্য ও সলাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর, আর তা আল্লাহভীরু ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্য সকলের কাছে নিশ্চিতভাবে কঠিন।
[সূরা আল বাকারাহ,আয়াত-৪৫]
তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে বিনয়ের সঙ্গে এবং গোপনে আহবান কর, তিনি সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না।
[সূরা আল আরাফ,আয়াত-৫৫]
তোমার প্রতিপালককে মনে মনে বিনয়ের সঙ্গে ভয়-ভীতি সহকারে অনুচ্চস্বরে সকাল-সন্ধ্যায় স্মরণ কর আর উদাসীনদের দলভুক্ত হয়ো না।
[সূরা আল আরাফ,আয়াত- ২০৫]
প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ
❝শীঘ্রই এ উম্মাতের মধ্যে এমন একদল লোকের আবির্ভাব ঘটবে, যারা পবিত্রতা অর্জন ও দু’আর ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করবে।❞
[সুনানে আবু দাউদঃ ৯৬]
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
❝যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু প্রবর্তন করবে যা তাতে নেই, তা প্রত্যাখ্যাত।❞
ইবনু ঈসা (রহঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
❝কোন ব্যক্তি আমাদের আচার–অনুষ্ঠানের বিপরীত কিছু প্রবর্তন করলে তা বর্জনীয়।❞
[সুনানে আবু দাউদঃ ৪৬০৬]
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
বান্দা সাজদাহর সময়ে মহান আল্লাহর সর্বাধিক নৈকট্য লাভ করে। কাজেই এ সময় তোমরা অধিক পরিমাণে দু‘আ পাঠ করবে।
[সুনানে আবু দাউদঃ ৮৭৫]
[নাসায়ীঃ ১০৪৫]
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন