রাসূল [সাঃ] বিপদে পড়লে নিচের দু’আটি পড়তে শিখিয়েছেন-

 

রাসূল [সাঃ] বিপদে পড়লে নিচের দু’আটি পড়তে শিখিয়েছেন

§  আল্লাহু আল্লাহু রাব্বী, লা উশরিকা বিহী শাইয়ান।

অর্থঃ আল্লাহ, আল্লাহ, আমার প্রতিপালক, আমি তার সাথে কোন কিছু শরীক করি না।                            

[সুনান ইবনে মাজা ৩৮৮২, আবূ দাউদ ১৫২৫। সহীহাহ ২৭৫৫]

 

§  লা ইলাহা ইল্লাহু আল আলিমুল কারীম, সুবহানাল্লাহী রাব্বিল আরশীল আজীম, সুবহানাল্লাহী রাব্বিস সামাওয়াতিস সাব’ই ওয়া রাব্বিল আরশীল কারীম।

অর্থঃ আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য মা‘বুদ নেই; যিনি সুমহান, সহিষ্ণু। আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই; যিনি সুবৃহৎ আরশের প্রতিপালক। আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য আরাধ্য নেই; যিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও সম্মানিত আরশের অধিপতি।

ü  নবী [(সাঃ)] বিপদকালে এই দু’আ করতেন।

[সহীহুল বুখারী ৫৩৪৫, ৬৩৬৬, ৭৪২৬, ৭৪৩১, মুসলিম ২৭৩০, তিরমিজি ৩৪৩৫, ইবনু মাজাহ ৩৮৮৩, আহমাদ ২০১৩, ২২৯৭, ২৩৪০, ২৪০৭, ২৫২৭, ২৫৬৪, ৩১৩৭, ৩৩৪৪, রিয়াদুস সলেহীন ১৫১০]

 

§  দুনিয়া ও আখিরাতের সকল পেরেশানী হতে বাচার দু’আ

ü  হাসবি আল্লাহু লা-ইলাহা ইল্লাহু ওয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়াহুয়া রাব্বুল আরশিল আজিম।

অর্থঃ আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কারো বন্দেগী নেই। আমি তাঁরই ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের অধিপতি।                                                                       [সুরা তাওবা: ১২৯]

 

ü  হাসবুনাল্লাহু ওয়ানি’মাল ওয়াকীল, নি’মাল মাওলা ওয়া নি’মান নাছীর।

[সুরা আল ইমরান: ১৭৩ এবং সুরা আনফাল: ৪০; সুরা হজ: ৭৮]

অর্থঃ আল্লাহ তাআলাই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই হলেন উত্তম কর্মবিধায়ক; আল্লাহ তাআলাই হচ্ছে উত্তম অভিভাবক এবং উত্তম সাহায্যকারী।

 

ü  কিয়ামতের বর্ণনা শুনে সাহাবারা ভীত হলে রাসুল [সা.] পড়তে বলেন -

হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল— আলাল্লাহি তাওয়াক্কালনা।                  [তিরমিজি: ২৪৩১]

অর্থঃ মহান আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধানকারী। আমরা আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন