📌সুরা ফাতিহার পর জোরে “আমীন” বলার সহিহ হাদিস.....
১️⃣ ইমামের আমীনের সাথে মিলিয়ে আমীন বলা
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“যখন ইমাম ‘আমীন’ বলে, তখন তোমরাও ‘আমীন’ বলো। যার ‘আমীন’ ফেরেশতাদের ‘আমীন’-এর সাথে মিলবে, তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।”
📚 রেফারেন্স:
সহিহ বুখারি: ৭৮০
সহিহ মুসলিম: ৪১০
---
২️⃣ নবী ﷺ জোরে “আমীন” বলতেন
ওয়াইল ইবন হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
“আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে নামাজ পড়েছি। তিনি ‘গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লীন’ পড়ার পর জোরে ‘আমীন’ বলেছেন।”
📚 রেফারেন্স:
সুনান আবু দাউদ: ৯৩২
সুনান তিরমিজি: ২৪৮ (হাসান সহিহ)
---
৩️⃣ সাহাবারা জোরে “আমীন” বলতেন
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ‘ওয়ালাদ্দাল্লীন’ বলতেন, তখন তিনি জোরে ‘আমীন’ বলতেন, এমনকি মসজিদ প্রতিধ্বনিত হয়ে উঠত।”
📚 রেফারেন্স:
সুনান ইবনে মাজাহ: ৮৫৬
আহমদ: ৭৫৪০ (সহিহ)
---
৪️⃣ আমীন বলার গুরুত্ব
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“ইমাম যখন ‘ওয়ালাদ্দাল্লীন’ বলে, তখন তোমরা ‘আমীন’ বলো।”
📚 রেফারেন্স:
সহিহ বুখারি: ৭৮২
---
✨
সুরা ফাতিহার পর “আমীন” বলা নামাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে জোরে “আমীন” বলতেন এবং সাহাবায়ে কেরামরাও তা অনুসরণ করতেন। বিশেষ করে জামাতে নামাজে ইমামের সাথে মিলিয়ে “আমীন” বললে ফেরেশতাদের সাথে মিল হয়ে গুনাহ মাফ হওয়ার সুসংবাদ রয়েছে।
---
👉 তাই নামাজে সুরা ফাতিহা শেষে “আমীন” বলা উচিত।
👉 জামাতে হলে ইমামের সাথে মিলিয়ে বলা উত্তম।
👉 সহিহ হাদিস অনুযায়ী জোরে “আমীন” বলাও প্রমাণিত সুন্নাহ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন