মিসওয়াকের ফজিলত
“মিসওয়াক” একটি হারিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। ফজিলত জানলে আমলের আগ্রহ বাড়ে। আসুন জেনে নেই এর ফজিলত…
— মিসওয়াকের ফায়দাসমূহ-
১। মিসওয়াক আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি লাভের মাধ্যম।
২। মুখ কে পবিত্র ও পরিষ্কার রাখার মহৌষধ।
৩। মৃত্যু ছাড়া সব রোগের শিফা।
৪। চোখের জ্যোতি বাড়ায়।
৫। দাঁতের মাড়ি মজবুত করে তুলে।
৬। কফ, শ্লেষ্মা কে দূর করে।
৭। পেটে পানি জমতে বাধা দেয়।
৮। ফেরেস্তাগণ খুশি হন।
৯। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর একটি মহামূল্যবান সুন্নাহ আদায় হয়।
১০। নামাজের সওয়াব বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
১১। শরীর কে সুস্থ ও সবল করে তোলে।
১২। স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে।
১৩। কবরের জন্য শান্তিদায়ক।
১৪। শয়তান অখুশি হয়।
১৫। আরামের সাথে জান কবজ হয়।
১৬। মিসওয়াক করে নামাজ পড়লে ৭০ গুণ সওয়াব বেশি পাওয়া যায়। (বায়হাকী সুনানে কুবরা, হাদীস: ১৫৯)
১৭। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ- মিসওয়াকের দরুন মৃত্যুর সময় কালেমা নসিব হয়ে ইমানদার হিসেবে মৃত্যুবরণ করার সৌভাগ্য অর্জনের সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন-
“আমি যদি উম্মতের উপর (কষ্ট হবার) আশংকা না করতাম তাহলে প্রত্যেক নামাজেই মেসওয়াক করার আদেশ দিতাম।”
(সহীহ্ বুখারী শরীফ, হাদীস নং: ৮৮৭, সহীহ্ মুসলিম শরীফ, হাদীস নং: ২৫২)
(সূত্র: আনওয়ারুল বারি - ৬ষ্ঠ খণ্ড, ১৮৯-১৯০ পৃষ্ঠা ফাতাওয়ায়ে শামি- ১ম খণ্ড, ২৩৫-২৩৬ পৃষ্ঠা)
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন