📕হিজবুল বাহারের বিশেষ ফজিলত📕
📌বিপদ ও শত্রু থেকে সুরক্ষা: যেকোনো কঠিন মুসিবত বা শত্রুর অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য এটি অত্যন্ত শক্তিশালী। বিশেষ করে জালেম বা শক্তিশালী শত্রুর সামনে যাওয়ার আগে এটি পাঠ করা হয়।
👉মনের আশা পূরণ: নেক মকসুদ বা বৈধ কোনো উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এই দোয়া পাঠ করলে আল্লাহ তায়ালা সাহায্য করেন।
👉রিজিক বৃদ্ধি: অভাব দূর করতে এবং জীবিকায় বরকত আনতে এই আমলটি বেশ কার্যকরী।
ভয় ও দুশ্চিন্তা মুক্তি: অন্তরের অস্থিরতা, ভয় এবং অজানা আতঙ্ক দূর করতে হিজবুল বাহার অত্যন্ত ফলদায়ক।
👉ভ্রমণের নিরাপত্তা: জলপথ বা স্থলপথ—যেকোনো দীর্ঘ সফরে দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচতে এটি পাঠ করা হয়।
📕আমল করার নিয়ম
হিজবুল বাহার আমল করার জন্য সাধারণত কোনো অভিজ্ঞ শায়খ বা আলেমের অনুমতি (ইজাজত) নেওয়াকে উত্তম মনে করা হয়। সাধারণ কিছু নিয়ম হলো:
👉আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়: অনেকে আসরের পর এটি পাঠ করাকে বেশি ফজিলতপূর্ণ মনে করেন।
👉একাগ্রতা: পূর্ণ বিশ্বাস ও মনোযোগের সাথে পাঠ করা জরুরি।
👉উদ্দেশ্য ঠিক রাখা: কেবল জায়েজ বা হালাল উদ্দেশ্যে এটি পাঠ করা যাবে
👉হিজবুল বাহার পাঠ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু আদব বা নিয়ম রয়েছে যা অনুসরণ করলে এর পূর্ণ ফায়দা পাওয়া যায়:
👉পবিত্রতা: আমলটি করার আগে অবশ্যই ওজু করে পাক-পবিত্র হয়ে নিতে হবে।
👉সময়: এটি সাধারণত আসরের নামাজের পর পাঠ করা হয়। তবে বিশেষ প্রয়োজনে যেকোনো সময় পড়া যায়।
👉শুরু ও শেষে দরুদ শরীফ: আমল শুরুর আগে ৩ বার বা ১১ বার দরুদ শরীফ পাঠ করবেন এবং শেষেও একইভাবে পাঠ করবেন।
👉একাগ্রতা: দোয়ার প্রতিটি শব্দের অর্থের দিকে খেয়াল রেখে পূর্ণ মনোযোগের সাথে পাঠ করা জরুরি।
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
يَا عَلِيُّ يَا عَظِيْمُ يَا حَلِيْمُ يَا عَلِيْمُ ، أَنْتَ رَبِّيْ وَعِلْمُكَ حَسْبِيْ فَنِعْمَ الرَّبُّ رَبِّيْ وَنِعْمَ الْحَسْبُ حَسْبِيْ، تَنْصُرُ مَنْ تَشَاءُ وَأَنْتَ الْعَزِيْزُ الرَّحِيْمُ، نَسْأَلُكَ الْعِصْمَةَ فِي الْحَرَكَاتِ وَالسَّكَنَاتِ وَالْكَلِمَاتِ وَالْإِرَادَاتِ وَالْخَطَرَاتِ مِنَ الشُّكُوْكِ وَالظُّنُوْنِ وَالْأَوْهَامِ السَّاتِرَةِ لِلْقُلُوْبِ عَنْ مُطَالَعَةِ الْغُيُوْبِ، هُنَالِكَ ابْتُلِيَ الْمُؤْمِنُونَ وَزُلْزِلُوا زِلْزَالًا شَدِيدًا وَإِذْ يَقُولُ الْمُنَافِقُونَ وَالَّذِينَ فِي قُلُوبِهِمْ مَرَضٌ مَا وَعَدَنَا اللهُ وَرَسُولُهُ إِلَّا غُرُورًا.
فَثَبِّتْنَا وَانْصُرْنَا وَسَخِّرْ لَنَا هَذَا الْبَحْرَ كَمَا سَخَّرْتَ الْبَحْرَ لِمُوْسَى، وَسَخَّرْتَ النَّارَ لِإِبْرَاهِيْمَ، وَسَخَّرْتَ الْجِبَالَ وَالْحَدِيْدَ لِدَاوُدَ، وَسَخَّرْتَ الرِّيْحَ وَالْجِنَّ وَالشَّيَاطِيْنَ لِسُلَيْمَانَ، وَسَخِّرْ لَنَا كُلَّ بَحْرٍ هُوَ لَكَ فِي الْأَرْضِ وَالسَّمَاءِ وَالْمُلْكِ وَالْمَلَكُوْتِ وَبَحْرَ الدُّنْيَا وَبَحْرَ الْآخِرَةِ، وَسَخِّرْ لَنَا كُلَّ شَيْءٍ يَا مَنْ بِيَدِهِ مَلَكُوْتُ كُلِّ شَيْءٍ.
(كهيعص - ৩ বার)
انْصُرْنَا فَإِنَّكَ خَيْرُ النَّاصِرِيْنَ، وَافْتَحْ لَنَا فَإِنَّكَ خَيْرُ الْفَاتِحِيْنَ، وَاغْفِرْ لَنَا فَإِنَّكَ خَيْرُ الْغَافِرِيْنَ، وَارْحَمْنَا فَإِنَّكَ خَيْرُ الرَّاحِمِيْنَ، وَارْزُقْنَا فَإِنَّكَ خَيْرُ الرَّازِقِيْنَ، وَاهْدِنَا وَنَجِّنَا مِنَ الْقَوْمِ الظَّالِمِيْنَ.
وَهَبْ لَنَا رِيْحًا طَيِّبَةً كَمَا هِيَ فِيْ عِلْمِكَ، وَانْشُرْهَا عَلَيْنَا مِنْ خَزَائِنِ رَحْمَتِكَ، وَاحْمِلْنَا بِهَا حَمْلَ الْكَرَامَةِ مَعَ السَّلَامَةِ وَالْعَافِيَةِ فِي الدِّيْنِ وَالدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ.
اللَّهُمَّ يَسِّرْ لَنَا أُمُوْرَنَا مَعَ الرَّاحَةِ لِقُلُوْبِنَا وَأَبْدَانِنَا، وَالسَّلَامَةِ وَالْعَافِيَةِ فِيْ دِيْنِنَا وَدُنْيَانَا، وَكُنْ لَنَا صَاحِبًا فِي سَفَرِنَا وَخَلِيْفَةً فِي أَهْلِنَا، وَاطْمِسْ عَلَى وُجُوْهِ أَعْدَائِنَا وَامْسَخْهُمْ عَلَى مَكَانَتِهِمْ فَلَا يَسْتَطِيْعُوْنَ الْمُضِيَّ وَلَا الْمَجِيْءَ إِلَيْنَا. "وَلَوْ نَشَاءُ لَطَمَسْنَا عَلَى أَعْيُنِهِمْ فَاسْتَبَقُوا الصِّرَاطَ فَأَنَّى يُبْصِرُونَ ، وَلَوْ نَشَاءُ لَمَسَخْنَاهُمْ عَلَى مَكَانَتِهِمْ فَمَا اسْتَطَاعُوا مُضِيًّا وَلَا يَرْجِعُونَ".
(يس - ১ বার)
وَالْقُرْآنِ الْحَكِيمِ، إِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ، عَلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ، تَنْزِيلَ الْعَزِيزِ الرَّحِيمِ، لِتُنْذِرَ قَوْمًا مَا أُنْذِرَ آبَاؤُهُمْ فَهُمْ غَافِلُونَ، لَقَدْ حَقَّ الْقَوْلُ عَلَى أَكْثَرِهِمْ فَهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ، إِنَّا جَعَلْنَا فِي أَعْنَاقِهِمْ أَغْلَالًا فَهِيَ إِلَى الْأَذْقَانِ فَهُمْ مُقْمَحُونَ، وَجَعَلْنَا مِنْ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَأَغْشَيْنَاهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ.
(شَاهَتِ الْوُجُوْهُ - ৩ বার)
وَعَنَتِ الْوُجُوهُ لِلْحَيِّ الْقَيُّومِ وَقَدْ خَابَ مَنْ حَمَلَ ظُلْمًا. (طس)، (حم عسق). مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ، بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَا يَبْغِيَانِ.
(حم - ৭ বার)
حُمَّ الْأَمْرُ وَجَاءَ النَّصْرُ فَعَلَيْنَا لَا يُنْصَرُوْنَ. حم، تَنْزِيْلُ الْكِتَابِ مِنَ اللهِ الْعَزِيْزِ الْعَلِيْمِ، غَافِرِ الذَّنْبِ وَقَابِلِ التَّوْبِ شَدِيْدِ الْعِقَابِ ذِي الطَّوْلِ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ إِلَيْهِ الْمَصِيْرُ.
بِسْمِ اللهِ بَابُنَا، تَبَارَكَ حِيْطَانُنَا، يس سَقْفُنَا، كهيعص كِفَايَتُنَا، حم عسق حِمَايَتُنَا. فَسَيَكْفِيكَهُمُ اللهُ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ (৩ বার)।
سِتْرُ الْعَرْشِ مَسْبُوْلٌ عَلَيْنَا، وَعَيْنُ اللهِ نَاظِرَةٌ إِلَيْنَا، بِحَوْلِ اللهِ لَا يُقْدَرُ عَلَيْنَا، وَاللهُ مِنْ وَرَائِهِمْ مُحِيْطٌ، بَلْ هُوَ قُرْآنٌ مَجِيْدٌ، فِي لَوْحٍ مَحْفُوْظٍ.
فَاللهُ خَيْرٌ حَافِظًا وَهُوَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِيْنَ (৩ বার)।
إِنَّ وَلِيِّيَ اللهُ الَّذِي نَزَّلَ الْكِتَابَ وَهُوَ يَتَوَلَّى الصَّالِحِيْنَ (৩ বার)।
حَسْبِيَ اللهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ (৭ বার)।
بِسْمِ اللهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ (৩ বার)।
أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (৩ বার)।
وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيْمِ (৩ বার)।
وَصَلَّى اللهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ.
অতিরিক্ত প্রার্থনা (আপনার সংযোজন অনুযায়ী):
اللَّهُمَّ ابْطِلِ السِّحْرَ وَالْعَيْنَ وَالْحَسَدَ وَالنَّفْسَ عَنِّي وَعَنْ أَهْلِي بِمَا قَرَأْتُ مِنْ كِتَابِكَ الْعَظِيْمِ.
হিযবুল বাহার (বাংলা উচ্চারণ)
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
ইয়া আলিয়্যু ইয়া আজীমু ইয়া হালীমু ইয়া আলীম, আনতা রব্বী ওয়া ইলমুকা হাসবী, ফানি’মার রব্বু রব্বী ওয়া নি’মাল হাসবু হাসবী। তানসুরু মান তাশা-উ ওয়া আনতাল আজীযুর রহীম। নাস-আলুকাল ইসমাতা ফিল হারাকাতি ওয়াস সাকানাতি ওয়াল কালিমাতি ওয়াল ইরা-দাতি ওয়াল খাতরাতি মিনাশ শুকুকি ওয়াজ জুনূনি ওয়াল আওহামিস্ সা-তিরাতি লিল কুলূবি আন মুতা-লা’আতিল গুয়ূব।
হুনালিকা-বতুলিয়াল মু’মিনূনা ওয়া ঝুলঝিলূ যিলঝালান শাদীদা। ওয়া ইয ইয়াকুলুল মুনাফিকূনা ওয়াল্লাযীনা ফী কুলূবিহিম মারাদুম মা ওয়া-আদানাল্লাহু ওয়া রাসূলুহূ ইল্লা গুরূরা।
ফাসাব্বিতনা ওয়ানসুরনা ওয়া সাখখির লানা হাযাল বাহরা কামা সাখখর্তাল বাহরা লি-মূসা, ওয়া সাখখর্তান না-রা লি-ইবরাহীম, ওয়া সাখখর্তাল জিবা-লা ওয়াল হাদীদা লি-দাঊদা, ওয়া সাখখর্তার রীহা ওয়াল জিন্না ওয়াশ শায়াতীনা লি-সুলায়মান।
ওয়া সাখখির লানা কুল্লা বাহরিন হুয়া লাকা ফিল আরদি ওয়াস সামা-ই ওয়াল মুলকি ওয়াল মালাকূত, ওয়া বাহরাদ দুনইয়া ওয়া বাহরাল আখিরাহ। ওয়া সাখখির লানা কুল্লা শাইয়িন ইয়া মান বিয়াদিহী মালাকূতু কুল্লি শাইয়।
(কাফ-হা-ইয়া-আইন-সদ) — ৩ বার
উনসুরনা ফাইন্নাকা খাইরুন নাসিরীন, ওয়াফতাহ লানা ফাইন্নাকা খাইরুল ফাতিহীন, ওয়াগফির লানা ফাইন্নাকা খাইরুল গাফিরীন, ওয়ারহামনা ফাইন্নাকা খাইরুর রাহিমীন, ওয়ারঝুকনা ফাইন্নাকা খাইরুর রাযিকীন, ওয়াহদিনা ওয়া নাজ্জিনা মিনাল কওমিয যালিমীন।
ওয়া হাব লানা রীহান তয়্যিবাতান কামা হিয়া ফী ইলমিকা, ওয়ানশুরহা আলাইনা মিন খাযা-ইনি রহমতিকা, ওয়াহমিলনা বিহা হামলাল কারামাতি মা’আস সালা-মাতি ওয়াল আফিয়াতি ফিদ দ্বীনি ওয়াদ দুনইয়া ওয়াল আখিরাহ, ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইয়িন কদীর।
আল্লাহুম্মা ইয়াসসির লানা উমূরানা মা’আর রাহাতি লিকুলূবিনা ওয়া আবদানিনা, ওয়াস সালা-মাতি ওয়াল আফিয়াতি ফী দ্বীনিনা ওয়া দুনইয়ানা, ওয়া কুন লানা স-হিবান ফী সাফারিনা ওয়া খালীফাতান ফী আহলিনা, ওয়াতমিস আলা উজূহি আ’দাইনা ওয়ামসাখহুম আলা মাকানাতিহিম ফালা ইয়াস্তাতীঊনাল মুদিয়্যা ওয়ালাল মাজী-আ ইলাইনা।
“ওয়ালাও নাশা-উ লাতামাসনা আলা আ’য়ুনিহিম ফাস্তাবাকুস সিরা-তা ফাআন্না ইয়ুবসিরূন। ওয়ালাও নাশা-উ লমাসখনা-হুম আলা মাকানাতিহিম ফামাস তাতা-উ মুদিয়্যাঁও ওয়ালা ইয়ারজিঊন।”
(ইয়া-সীন) — ১ বার
ওয়াল কুরআনিল হাকীম, ইন্নাকা লামিনাল মুরসালীন, আলা সিরাতিল মুস্তাকীম, তান্যীলাল আজীযির রহীম। লিতুনযিরা কওমাম মা উনযিরা আবা-উহুম ফাহুম গাফিলূন। লাকাদ হাক্কাল কওলু আলা আকসারিহিম ফাহুম লা ইউ’মিনূন। ইন্না জাআলনা ফী আ’নাকিহিম অগলা-লান ফাহিযা ইলাল আযকানি ফাহুম মুকমাহূন। ওয়া জাআলনা মিম বাইনি আইদীহিম সাদ্দাঁও ওয়া মিন খলফিহিম সাদ্দাঁও ফাআগশাইনা-হুম ফাহুম লা ইয়ুবসিরূন।
(শাহাতিল উজূহু) — ৩ বার (বলার সময় হাতের পিঠ দিয়ে ইশারা করা হয়)
ওয়া আনাতিল উজূহু লিল হাইয়িল কইয়্যূম, ওয়া কদ খ-বা মান হামালা জুলমা। (ত্ব-সীন), (হা-মীম, আইন-সীন-কফ)। মারাজাল বাহরাইনি ইয়ালতাকিয়ান, বাইনাহুমা বারযাখুল লা ইয়াবগিয়ান।
(হা-মীম) — ৭ বার
হুম্মাল আমরু ওয়া জা-আন নাসরু ফা-আলাইনা লা ইয়ুনসারূন। হা-মীম। তান্যীলুল কিতাবি মিনাল্লাহিল আজীযিল আলীম। গফিরিয যানবি ওয়া ক-বিলিত তাওবি শাদীদিল ইকা-বি যিত তওলি লা ইলাহা ইল্লা হুয়া ইলাইহিল মাসীর।
বিসমিল্লাহি বাবুনা, তাবারাকা হিতানুনা, ইয়াসীন সাকফুনা, কাফ-হা-ইয়া-আইন-সদ কিফায়াতুনা, হা-মীম-আইন-সীন-কফ হিমায়াতুনা। ফাসায়াকফীকাহুমুল্লাহু ওয়া হুয়াস সামীউল আলীম। (৩ বার)
সিত্রুল আরশি মাসবূলুন আলাইনা, ওয়া আইনুল্লাহি নাযিরাতুন ইলাইনা, বি-হাওলিল্লাহি লা ইউকদারু আলাইনা। ওয়াল্লাহু মিও ওয়ারাইহিম মুহীত, বাল হুয়া কুরআনুম মাজীদ, ফী লাওহিম মাহফূজ।
ফাল্লাহু খাইরুন হাফিযাঁও ওয়া হুয়া আরহামুর রাহিমীন। (৩ বার)
ইন্না ওয়ালিয়্যিআল্লাহুল্লাযী নায্যালাল কিতাবা ওয়া হুয়া ইয়াতাওয়াল্লাস স-লিহীন। (৩ বার)
হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রব্বুল আরশিল আজীম। (৭ বার)
বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু মা’আসমিহী শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা-ই ওয়া হুয়াস সামীউল আলীম। (৩ বার)
আউযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তাম্মা-তি মিন শাররি মা খলাক। (৩ বার)
ওয়া লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজীম। (৩ বার)
ওয়া সল্লাল্লাহু আলা সাইয়িদিনা মুহাম্মাদিঁও ওয়া আলা আলিহী ওয়া স-হবিহী ওয়া সাল্লাম।
প্রচারে ----
Ruqyah center Bangladesh
দাশেরগাও,বন্দর,নারায়ণগঞ্জ
01998-765809
রেফারেন্স:
হিজবুল বাহারের গ্রহণযোগ্যতা এবং এর দলিল ভিত্তিক রেফারেন্সের ক্ষেত্রে মুহাদ্দিসিন এবং আরিফ বিল্লাহগণের সুনির্দিষ্ট মতামত রয়েছে। আপনার জানার সুবিধার্থে নির্ভরযোগ্য কিতাব ও আলেমদের উদ্ধৃতি নিচে তুলে ধরা হলো:
১. ইমাম ইবনে হাজার আল-আসকালানী (রহ.)-এর সমর্থন:
বিখ্যাত হাদিস বিশারদ ইমাম ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) তার 'আল-দুরার আল-কামিনাহ' (al-Durar al-Kamina) কিতাবে ইমাম আবুল হাসান আশ-শাজিলি (রহ.)-এর জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে এই হিজবুল বাহারের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি একে একটি বরকতময় এবং গ্রহণযোগ্য আমল হিসেবে গণ্য করেছেন।
২. শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী (রহ.)-এর রেফারেন্স:
ভারতবর্ষের প্রখ্যাত আলেম শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) তার প্রসিদ্ধ কিতাব 'আল-কওলুল জামিল' (Al-Qawl al-Jamil)-এ হিজবুল বাহারের ফজিলত এবং এটি পড়ার নিয়ম বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তিনি একে শত্রু ও বিপদ থেকে আত্মরক্ষার জন্য অত্যন্ত কার্যকর একটি আমল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
৩. ইমাম ইবনে বতুতা (রহ.)-এর সাক্ষ্য:
বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা তার ভ্রমণ কাহিনীতে (Rihla) উল্লেখ করেছেন যে, তিনি যখন আরবে সফর করছিলেন, তখন তিনি দেখেছিলেন বড় বড় আলেম ও সুফিগণ নিয়মিত হিজবুল বাহার পাঠ করছেন। তিনি নিজেও এর ফজিলত প্রত্যক্ষ করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন।
৪. কুতুবুল আলম রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী (রহ.) ও দেওবন্দী ওলামায়ে কেরাম:
আকাবিরে দেওবন্দের অন্যতম প্রধান মুরুব্বি হযরত মাওলানা রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী (রহ.)-এর ফতোয়া এবং আমল থেকেও হিজবুল বাহারের বৈধতা পাওয়া যায়। ফতোয়ায়ে রশিদিয়া সহ বিভিন্ন কিতাবে বিপদ-আপদে এটি পাঠ করার অনুমতি ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে এর ভিত্তি:
কুরআনের আয়াত: হিজবুল বাহারের অধিকাংশ শব্দই সরাসরি কুরআন মাজিদের বিভিন্ন আয়াত (যেমন: আয়াতুল কুরসি, সূরা মুমিনুন ও সূরা হা-মীম এর বিভিন্ন অংশ)।
মা'ছুর দোয়া: এতে রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে বর্ণিত বিভিন্ন সহিহ দোয়ার সংমিশ্রণ রয়েছে।
ইলহাম ও স্বপ্ন: ইমাম শাজিলি (রহ.) এটি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর রূহানি ইশারায় বা স্বপ্নে প্রাপ্ত হয়ে সংকলন করেছেন। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, যদি কোনো দোয়া বা আমল কুরআন-সুন্নাহর আকিদার সাথে সাংঘর্ষিক না হয়, তবে তা আমল করা জায়েজ।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন