আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন তার সাথে উনার ব্যবহার কেমন?
বিগত ৩ বছরে—২৫ জন প্রফেট, ২০০ জন গ্রেট লিডার্স এবং ৩০০ গুণীজনের জীবন অনুসন্ধান করে তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলার ৪ টি কমন প্যাটার্ণ খেয়াল করেছি-
(১) আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন তাকে— সামাজিক ভাবে কষ্টে নিক্ষেপ করেন এবং পরবর্তীতে সেই সমাজেরেই রহমত বানান।
তাকে এমনকিছু ঝামেলায় নিক্ষেপ করেন যে ঝামেলায় তার আশপাশের মানুষজন কখনোই পড়েনি।
• ঝড়ের রাতে হজরত ইউনুস (আ) এর মাছের পেটে যাওয়া।
• আপন ভাইদের দ্বারা হজরত ইউসুফ (আ) এর বিট্রের শিকার হওয়া।
• নিজের গোত্র দ্বারা নুহ (আ) এর মানসিক নির্যাতনের শিকার হওয়া।
(২) আল্লাহ তাআলা যাকে ভালোবাসেন— তাকে তার সারাউন্ডিংস দ্বারা কটুক্তির শিকার করান এবং তার সারাউন্ডিংস দ্বারাই তাকে প্রথম সম্মানিত করেন...
• নিজ গোত্রের লোকেরাই নবী (সা) কে পাগল এবং যাদুকর বলে ডাকতো...অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতো!
(৩) আল্লাহ তাআলা যাকে ভালোবাসেন—তাকে চরিত্র নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি করান ...
তাদের প্রত্যেককে এই পরিমান মসিবতে নিক্ষেপ করেন যেই পরিমান মসিবতে নিক্ষপ করলে তারা মৃত্যু কামনা করেন..
• হজরত মরিয়ম আ. এর ঘটনা (পিতা ছাড়া সন্তান জন্ম)।
• হজরত আয়েশা রা. এর ঘটনা (সতীত্ব নিয়ে প্রশ্ন, নবীর সাথে কথা বন্ধ হয়ে যাওয়া)
(৪) আল্লাহ তাআলা যাকে ভালোবাসেন— :
তাকে তার ঘর এবং এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করেন...এবং সেটা খুবি পেইনফুল ওয়েতে।
• মদীনায় হিজরতের সময়.. নবী (সা) বারবার পেছনে ফিরে প্রিয় মাতৃভূমির দিকে তাকিয়ে কান্না করছিলেন। বুকফাটা এই কান্নার সাক্ষী হয়েছিলেন হজরত আবু বকর (রা)।
আপনার উপর মসিবত আসা মানে আপনাকে দিয়ে আল্লাহ ভালো কিছু করাতে চান, আপনার জন্যে ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।
এখন আপনি যদি ডিপ্রে*সড হয়ে বসে থাকেন, এইটা কিছু হইলো?
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
"তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহর রহমত থেকে কেবল অবিশ্বাসী লোকেরাই নিরাশ হয়।"
~ সূরা ইউসুফ (১২:৮৭)
এই দুনিয়া সফট মানুষদের জন্যে না। যতটুকু সম্ভব নিজেকে স্ট্রং করুন। খারাপ সময়ের ব্যপারগুলোকে লেসন হিসেবে নিয়ে নিজেকে গ্রো করুন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে Pain and Suffering কে Growth পিরিয়ড হিশেবে ট্রিট করার তৌফিক দান করুন।
বিগত ৩ বছরে—২৫ জন প্রফেট, ২০০ জন গ্রেট লিডার্স এবং ৩০০ গুণীজনের জীবন অনুসন্ধান করে তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলার ৪ টি কমন প্যাটার্ণ খেয়াল করেছি-
(১) আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন তাকে— সামাজিক ভাবে কষ্টে নিক্ষেপ করেন এবং পরবর্তীতে সেই সমাজেরেই রহমত বানান।
তাকে এমনকিছু ঝামেলায় নিক্ষেপ করেন যে ঝামেলায় তার আশপাশের মানুষজন কখনোই পড়েনি।
• ঝড়ের রাতে হজরত ইউনুস (আ) এর মাছের পেটে যাওয়া।
• আপন ভাইদের দ্বারা হজরত ইউসুফ (আ) এর বিট্রের শিকার হওয়া।
• নিজের গোত্র দ্বারা নুহ (আ) এর মানসিক নির্যাতনের শিকার হওয়া।
(২) আল্লাহ তাআলা যাকে ভালোবাসেন— তাকে তার সারাউন্ডিংস দ্বারা কটুক্তির শিকার করান এবং তার সারাউন্ডিংস দ্বারাই তাকে প্রথম সম্মানিত করেন...
• নিজ গোত্রের লোকেরাই নবী (সা) কে পাগল এবং যাদুকর বলে ডাকতো...অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতো!
(৩) আল্লাহ তাআলা যাকে ভালোবাসেন—তাকে চরিত্র নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি করান ...
তাদের প্রত্যেককে এই পরিমান মসিবতে নিক্ষেপ করেন যেই পরিমান মসিবতে নিক্ষপ করলে তারা মৃত্যু কামনা করেন..
• হজরত মরিয়ম আ. এর ঘটনা (পিতা ছাড়া সন্তান জন্ম)।
• হজরত আয়েশা রা. এর ঘটনা (সতীত্ব নিয়ে প্রশ্ন, নবীর সাথে কথা বন্ধ হয়ে যাওয়া)
(৪) আল্লাহ তাআলা যাকে ভালোবাসেন— :
তাকে তার ঘর এবং এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করেন...এবং সেটা খুবি পেইনফুল ওয়েতে।
• মদীনায় হিজরতের সময়.. নবী (সা) বারবার পেছনে ফিরে প্রিয় মাতৃভূমির দিকে তাকিয়ে কান্না করছিলেন। বুকফাটা এই কান্নার সাক্ষী হয়েছিলেন হজরত আবু বকর (রা)।
আপনার উপর মসিবত আসা মানে আপনাকে দিয়ে আল্লাহ ভালো কিছু করাতে চান, আপনার জন্যে ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।
এখন আপনি যদি ডিপ্রে*সড হয়ে বসে থাকেন, এইটা কিছু হইলো?
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
"তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহর রহমত থেকে কেবল অবিশ্বাসী লোকেরাই নিরাশ হয়।"
~ সূরা ইউসুফ (১২:৮৭)
এই দুনিয়া সফট মানুষদের জন্যে না। যতটুকু সম্ভব নিজেকে স্ট্রং করুন। খারাপ সময়ের ব্যপারগুলোকে লেসন হিসেবে নিয়ে নিজেকে গ্রো করুন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে Pain and Suffering কে Growth পিরিয়ড হিশেবে ট্রিট করার তৌফিক দান করুন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন