১৫ টি ফজিলতপূর্ণ যিকির (যা অল্প সময়ে, যেকোনো অবস্হায় পড়া যায়)
💓 ১। প্রচুর পরিমানে আসতাগফিরুল্লাহ পাঠ করা।
🍀ফযিলত:
ü আল্লাহ বলেন, "নিশ্চই আল্লাহ তাআলা তওবাকারীকে ভালবাসেন" [সূরা বাকারাঃ ২.২২২]
ü রাসূল (সাঃ) দিনে ৭০ বারের বেশি, অন্য বর্ণনায় ১০০ বার ইস্তেগফার করতেন।
[সহিহ আল-বুখারী 6307, সহিহ মুসলিম 2702]
💓 ২। প্রচুর পরিমানে দরুদ পাঠ করা।
🍀ফযিলত: একবার দরুদ পড়লে ১০ রহমত নাযিল হয়, ১০ গুনাহ মাফ, ১০ মর্যাদা বৃদ্ধি।
[সহিহ মুসলিম 408]
💓 ৩। প্রতিদিন ১০০ বার সুবহানআল্লাহ্ পাঠ করা।
🍀ফযিলত: ১০০০ সাওয়াব লিখা হয় এবং ১০০০ গুনাহ মাফ করা হয়। [মুসলিম-৪/২০৭৩]
💓 ৪। বেশি বেশি 'আলহামদুলিল্লাহ' পাঠ করা।
🍀ফযিলত: 'আলহামদুলিল্লাহ' মীযানের পাল্লাকে ভারী করে দেয় এবং সর্বোত্তম দোআ।
[তিরমিজি-৫/৪৬২, ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯, হাকিম-১/৫০৩, সহীহ আল জামে-১/৩৬২]
“পবিত্রতা অর্ধেক ঈমান… আলহামদুলিল্লাহ মিযান পূর্ণ করে।” [সহিহ মুসলিম 223]
💓 ৫। বেশি বেশি 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' পাঠ করা।
🍀ফযিলত: 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' সর্বোত্তম যিকর।
[তিরমিজি-৫/৪৬২, ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯, হাকিম-১/৫০৩, সহীহ আল জামে’-১/৩৬২]
💓 ৬। বেশি বেশি 'সুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর' পাঠ করা।
🍀ফযিলত:
ü এই কালিমাগুলি আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় এবং রাসূল (সাঃ) বলেনঃ পৃথিবীর সমস্ত জিনিসের চাইতে আমার নিকট অধিক প্রিয়। [মুসলিম-৩/১৬৮৫, ৪/২০৭২]
ü প্রত্যেকটি বাক্যের বিনিময়ে জান্নাতে একটি করে গাছ রোপণ করা হয়। [তিরমিজি 3464]
💓 ৭। প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০বীর 'সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহ' পাঠ করা।
🍀ফযিলত:
ü যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমান [সগীরা] গুনাহ থাকলে ও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। [বুখারী-৭/১৬৮, মুসলিম-৪/২০৭১]
ü সমুদ্রের ফেনার মতো গুনাহ হলেও মাফ করা হবে। [বুখারী 6405, মুসলিম 2691]
💓 ৮। বেশি বেশি 'সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহ সুবহানাল্লিল আযীম' পাঠ করা।
🍀 ফযিলত: রাসূল (সাঃ) বলেনঃ এই কালীমাগুলি জিহ্বায় উচ্চারনে সহজ, মীযানের পাল্লায় ভারী, দয়াময় আল্লাহর নিকট প্রিয় । [বুখারী 6682, মুসলিম 2694 বুখারী-৭/১৬৮, মুসলিম-৪/২০৭২]
💓 ৯। বেশি বেশি 'সুবহানাল্লাহিল আযীমি ওয়াবি হামদিহ' পাঠ করা।
🍀ফযিলত: যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহিল আযীমি ওয়াবি হামদিহ' পাঠ করবে প্রতিবারে তার জন্য জান্নাতে একটি করে [জান্নাতী] খেজুর গাছ রোপন করা হবে।
[তিরমিজি-৫/৫১১, আল-হাকীম-১/৫০১, সহীহ আল-জামে-৫/৫৩১, তিরমিজী-৩/১৬০]
💓 ১০। বেশি বেশি 'লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' পাঠ করা।
🍀ফযিলত: রাসূল (সাঃ) বলেনঃ 'লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' হচ্ছে জান্নাতের গুপ্তধন সমুহের মধ্যে একটি গুপ্তধন।
[বুখারী ২৯৯২, ৪২০৫, ৬৩৮৪, ৬৪০৯, ৬৬১০, মুসলিম ২৭০৪, তিরমিজি ৩৩৭৪, ৩৪৬১, আবূ দাউদ ১৫২৬, ইবনু মাজাহ ৩৮২৪, আহমাদ ১৯০২৬, ১৯০৭৮, ১৯০৮২, ১৯১০২, ১৯১০৮, ১৯১৫১, ১৯২৪৬, ১৯২৫৬, রিয়াদুস সলেহীন ১৪৫১]
💓 ১১। বেশি বেশি 'সুবহানআল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' পাঠ করা।
🍀 ফযিলত: রাসূল (সাঃ) বলেনঃ 'সুবহানআল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' এই কালীমাগুলি হচ্ছে “অবশিষ্ট নেকআমল সমুহ।“ [আহমাদ [সহীহ]-৫১৩, মাজমাউজ জাওয়াঈদ-১/২৯৭]
💓 ১২। যতবার পারা যায় রাসূল (সাঃ) এর উপর দুরুদ পাঠ করা।
🍀ফযিলত: রাসূল (সাঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দুরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তা’আলা তার প্রতি দশ বার রহমত বরষন করবেন- "আল্লাহুম্মা সাল্লি ’আলা মুহাম্মাদিঁওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদিন্ কামা সাল্লায়তা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ আল্লাহুম্মা বারিক ’আলা মুহাম্মাদিঁওয়া’আলা আলি মুহাম্মাদিন্ কামা বারাকতা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ। [তাবারানী, মাজময়াউজ জাওয়াঈদ-১০/১২০, সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব-১/২৭]
💓 ১৩। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর
🍀ফজিলত:
ü ১০টি দাস মুক্তির সওয়াব
ü ১০০ নেকি
ü ১০০ গুনাহ মাফ
ü শয়তান থেকে সুরক্ষা [বুখারী 3293, সহিহ মুসলিম 2691]
💓 ১৪। বেশি সালামে বেশি সওয়াব
🍀ফযিলত: এক ব্যক্তি বললেন, আসসালামু আলাইকুম।
রাসূল (সাঃ) বললেন, ১০ নেকি।
আরেকজন বললেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
রাসূল (সাঃ) বললেন, ২০ নেকি।
আরেকজন পূর্ণ সালাম দিলেন।
রাসূল (সাঃ) বললেন, ৩০ নেকি। [সুনান আবু দাউদ 5195, তিরমিজি 2689]
💓 ১৫। সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার (সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া)
🍀ফযিলত: • সকালে (ফজরের পর) পড়ে সন্ধ্যার আগে মৃত্যু হলে জান্নাত
• রাতে (মাগরিবের পর)পড়ে সকালে মৃত্যু হলে জান্নাত [সহিহ আল-বুখারী 6306]
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন