ইস্তেগফার করেলে বা ক্ষমা চাইলে আল্লাহ যা যা পুরস্কার দিবেন
* অপরাধ ক্ষমা করবেন। [সূরা বাকারা: ২:৫৮]
* ক্ষমা প্রার্থনার পরে আর পাপ না করলে জান্নাত দাম করবেন। [সূরা ইমরান: ৩:১৩৬]
* রহমতের বৃষ্টি দান করবেন। [সূরা নূহ: ৭১:১১]
* ধন-সম্পদ দান করবেন। [সূরা নূহ: ৭১:১২]
* সন্তান-সন্ততি দান করবেন। [সূরা নূহ: ৭১:১২]
* বাগ-বাগিচা দান করবেন। [সূরা নূহ: ৭১:১২]
* শাস্তি দিবেন না। [সূরা আনফাল: ৮:৩৩]
* ক্ষমা প্রার্থনার পর আমল সঠিক রাখলে সুখ-সম্ভোগ দান করবেন। [সূরা হুদঃ ১১:৩]
* শক্তি-সামর্থ্য বৃদ্ধি করবেন। [সূরা হুদঃ ১১:৫২]
* রহমত বা অনুগ্রহ দান করবেন। [সূরা নমলঃ ২৭:৪৬]
* নদী-নালা সঠিকভাবে প্রবাহিত করবেন। [সূরা নূহ: ৭১:১২]
* সাইয়্যিদুল ইসতিগফার সকালে পড়লে, সন্ধ্যা হবার আগে মারা গেলে জান্নাত পাবে আর সন্ধ্যায় পড়লে ভোর হবার আগে মারা গেলে জান্নাত পাবে। [বুখারী: ৬৩০৬]
মহানবি [সা] কতবার ইস্তেগফার পড়তেন?
উ: মহানবি [সা] দিনে ১০০ বার لأَسْتَغْفِرُ اللَّهَ [আস্তাগফিরুল্লাহ] পড়তেন।
[সহিহ মুসলিম: ৬৭৫১- আন্তর্জাতিক ২৭০২, ইবনে মাজাহ: ৩৮১৫]
ইস্তেগফারগুলি কি কি?
১। আস্তাগফিরুল্লাহ
অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
২। আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহ্
অর্থঃ আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তওবা করছি।
৩। আস্তাগ্ফিরুল্লাহাল্লাযী লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল্ কইয়ুম, ওয়া আতূবু ইলাইহী।
অর্থঃ আল্লাহর কাছে আমি ক্ষমা চাইছি, যিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী। আর তাঁর কাছে আমি তওবা করছি।
৪। আস্তাগ্ফিরুল্লাহাল ‘আযীমাল্লাযী লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল্ কইয়ুম, ওয়া আতূবু ইলাইহী।
অর্থঃ আমি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি—যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, যিনি চিরঞ্জীব ও সবকিছুর ধারক; আর আমি তাঁরই কাছে তওবা করছি।
৫. সাইয়্যিদুল ইসতিগফার
আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আহ্দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ’উযুবিকা মিন শাররি মা ছা’নাতু আবূউলাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী ফাগফিরলী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আনতা।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রতিপালক। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে কৃত প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নি’য়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে ক্ষমা কর।’
ü যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এই দো‘আ পাঠ করবে, দিনে পাঠ করে রাতে মারা গেলে কিংবা রাতে পাঠ করে দিনে মারা গেলে, সে জান্নাতী হবে।
[সুনান ইবনে মাজা ৩৮৭২, আবূ দাউদ ৫০৭০, আহমাদ ২২৫০৪]
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন