দু’আ কবুলের দু’আ [ইসমে আজম]

 

দু’আ কবুলের দু’আ [ইসমে আজম]

§  লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা-কুল্লি শাইয়িন কাদীর, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ।

 

§  লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহূ লা-শারীকালাহূ, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর। সুবহানাল্লাহি, ওয়াল হামদুলিল্লাহি, ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়া লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহীল আলিয়্যীল আজীম। রাব্বিগফিরলি।

অর্থঃ আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নাই, সার্বভৌমত্ব তাঁর, সমস্ত প্রশংসা তাঁর প্রাপ্য, তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান, আল্লাহ্‌ মহা পবিত্র, আল্লাহ্‌ই সমস্ত প্রশংসার অধিকারী, আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই, আল্লাহ্‌ সুমহান, মহান আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ ব্যতীত অন্যায় থেকে বিরত থাকার কিংবা ভালো কাজ করার শক্তি কারো নাই, প্রভু! আমাকে ক্ষমা করো।

ফজিলতঃ

রাসূলুল্লাহ [সাঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতে ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে এই দূ’আটি করে, তাকে ক্ষমা করা হয়। রাবী ওলীদ বিন মুসলিমের বর্ণনায় আছে: এ দু’আ করলে তার দু’আ কবুল করা হয়। অতঃপর সে উঠে গিয়ে উযু করে সালাত পড়লে তার সালাত কবুল করা হয়।

[সুনান ইবনে মাজা ৩৮৭৮, সহীহুল বুখারী ১১৫৪, তিরমিজি ৩৪১৪, আবু দাউদ ৫০৬০, আহমাদ ২২১৬৫, দারিমী ২৬৮৭, তাখরীজুল কালিম ৪২]

§  আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকা বি’আন্নাকা আন্তাল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা আন্ত, আল আহাদ, আস সামাদ, আল্লাজী লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউ লাদ, ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফু’আন আহাদ।

অর্থঃ হে আল্লাহ্‌! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট এই বিশ্বাসে প্রার্থনা করছি যে, তুমিই একমাত্র আল্লাহ্‌, তুমি একক সত্তা, স্বয়ংসম্পূর্ণ, তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি এবং তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।                                                        [সুনানে ইবনে মাজাহ-৩৮৫৭, তিরমিজি-৩৪৭৫, আবু দাউদ-১৩৪১]

§  আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকা বি’আন্না লাকাল হামদ, লা ইলাহা ইল্লা আন্তা ওয়াহদাকা লা শারিকা লাকা, আল মান্নান, বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ, জাল জালালি ওয়াল ইকরাম।

অর্থঃ হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি, কেননা সমস্ত প্রশংসা তোমার, তুমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, তুমি একক সত্তা, তোমার কোন শরীক নেই, তুমি অনুগ্রহকারী, আসমানসমূহ ও যমীনের উদ্ভাবনকারী, মহা শক্তি ও সম্মানের অধিকারী।

[সুনানে ইবনে মাজাহ-৩৮৫৮, তিরমিজি-৩৫৪৪, নাসাঈ-১৩০০, আবু দাউদ-১৪৯৫, আহমাদ-১১৭৯৫, ১২২০০, ১৩১৫৮, ১৩৩৮৭]

 

§  আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকা ওয়া ইলাহুকুম ইলাহুউ ওয়াহিদ লা ইলাহা ইল্লা হুওয়ার রাহমানুর রাহীম।

§  আলিফ লাম মিম, আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়্যাল হাইয়্যুল কাইয়্যুম।

§  লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনায জালিমীন।

 

§  মুআয বিন জাবাল [রাঃ] হতে বর্ণিত – রাসূলাল্লাহ [সাঃ] বলেছেনঃ যে কোনও বান্দা পবিত্র অবস্থায় রাত যাপন করলে এবং ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে আল্লাহর নিকট দুনিয়া বা আখেরাতের কিছু প্রার্থনা করলে তিনি অবশ্যই তাঁকে তা দান করেন।

[সুনান ইবনে মাজা ৩৮৮১, আবূ দাঊদ ৫০৪২, আহমাদ ২১৫৪৩, ২১৫৮৭, ২১৬০৯। আত তা’লীকুর রাগীব ১/২০৭, সহীহ আত তারগীব ওয়াত তারহীব ৫৯৭]

 

 

 

নবী (সাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলার মহান নাম (ইসমে আযম) এই দুই আয়াতের মাঝে নিহিত আছে।
সূরা বাক্বারাহ্‌ ১৬৩:
وَاِلٰـہُکُمۡ اِلٰہٌ وَّاحِدٌ ۚ  لَاۤ اِلٰہَ اِلَّا ہُوَ الرَّحۡمٰنُ الرَّحِیۡمُ ٪ ١٦٣
২.১৬৩। ওয়া ইলা-হুকুম ইলা-হুওঁ ওয়া-হিদুল লা ইলা-হা ইল্লা-হুওয়ার রাহমা-নূর রাহীম।
অর্থঃ তোমাদের মাবুদ একই মাবুদ, তিনি ছাড়া অন্য কোনও মাবুদ নেই। তিনি সকলের প্রতি দয়াময়, পরম দয়ালু।

সূরা আল ইমরান (আয়াতঃ ১-২):
الٓمَّٓ ۙ ١
اللّٰہُ لَاۤ اِلٰہَ اِلَّا ہُوَ ۙ  الۡحَیُّ الۡقَیُّوۡمُ ؕ ٢
৩.১। আলিফ লাম মীম।
৩.২। আল্লা-হু লাইলাহা ইল্লা-হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ূম।


৩.১। আলিফ-লাম-মীম
৩.২। আল্লাহ তিনিই, যিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই। যিনি চিরঞ্জীব, (সমগ্র জগতের) নিয়ন্ত্রক।


[জামে আত-তিরমিজি: ৩৪৭৮, ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৮৫৫)]
 

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন