তিলাওয়াত উপযোগী সূরা ও আয়াতের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

 

তিলাওয়াত উপযোগী সূরা ও আয়াতের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

ফাতেহা [সুরা ০১]

১। আলহামদু লিল্লা-হি রব্বিল আ-লামীন।

২। আর রহমা-নির রহীম। মা-লিকি ইয়াও মিদ্দীন।

৩। ইয়্যা-কা না-বুদু ওয়া ইয়্যা-কানাছ তা-ঈন।

৪। ইহদিনাস সিরা-তাল মুছতাকীম।

৫। সিরা-তাল্লাযীনা আন-আমতা আলাইহিম।

৬। গাইরিল মাগদূবি-আলাইহীম।

৭। ওয়ালাদ্দা--ল্লীন। (আমিন)

➡️ অর্থ:

১। যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর, যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

২। যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

৩। বিচার দিনের মালিক।

৪। আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং শুধু তোমারই সাহায্য চাই।

৫। আমাদেরকে সরল পথ দেখাও।

৬। সেইসব লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নিয়ামত দান করেছ;

৭। তাদের পথ নয়, যাদের উপর তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

 

আল বাকারা (প্রথম ৫ আয়াত) [সূরা-০২]

২.১ আলিফ লাম মীম।

২.২। যালিকাল কিতাবু লারাইবা ফিহি হুদাল্লিল মুত্তাক্বিন।

২.৩। আল্লাযীনা ইউমিনুনা বিল গাইবি ওয়া ইউকিমুনাস্ সালাতা ওয়া মিম্মা রাযাক নাহুম ইউনফিকুন।

২.৪। ওয়াল্লাযীনা ইউমিনুনা বিমা উনযিলা ইলাইকা ওয়ামা উনযিলা মিন কাবলিকা ওয়াবিল আখিরাতি হুম ইউকিনুন।

২.৫। উলা-য়িকা ‘আলা- হুদাম্ মির রব্বিহিম্ ওয়া উলা-য়িকা হুমুল্ মুফলিহূন। 

➡️ অর্থ:

১. আলিফ-লাম-মীম।

২. এটি সেই কিতাব, যাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটি পরহেযগারদের জন্য পথনির্দেশ।

৩. যারা অদৃশ্যের প্রতি বিশ্বাস রাখে, নামায কায়েম করে এবং আমি তাদেরকে যে রিজিক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে।

৪. আর যারা বিশ্বাস করে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে এবং তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে, এবং আখিরাতকে যারা নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করে।

৫. তারাই তাদের রবের পক্ষ থেকে হিদায়াতপ্রাপ্ত, এবং তারাই সফলকাম।

 

আল বাকারা (আয়াত-১২৭-১২৮)

রাব্ববানা তাকাব্বাল মিন্না ইন্নাকা আন্তাস সামিউল আলীম। ওয়াতুব আলায়না ইন্নাকা আন্তাত তাওয়াবুর রাহীম।

➡️ অর্থ: ১২৭.  হে রব! আমাদের নিকট থেকে এই কাজ কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি শ্রবণকারী এবং সর্বজ্ঞ।

১২৮. এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই আপনি তওবা কবুলকারী ও পরম দয়ালু।

সূরা-০০২ আল বাকারা (আয়াত-১৫২)

ফাজকুরুনি আজকুরুকুম ওয়াশকুরুলি ওয়ালা তাকফুরুন। 

➡️ অর্থ: তোমরা যদি আমাকে স্মরণ করো, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করবো। তোমরা আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো এবং আমার অবাধ্য হয়ো না।

 

সূরা-০০২ আল বাকারা (আয়াত-১৫৬)

ইন্না লিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহী রা-জিউন।

➡️ অর্থ: নিশ্চয়ই আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁর সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।

 

সূরা-০০২ আল বাকারা (আয়াত-২০১)

রাব্বানা আ-তিনা ফিদদুনইয়া হাসনাতাও ওয়াফিল আখিরাতি হাসনাতাও ওয়া কিনা আজাবান নার।

➡️ অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান করুন, এবং আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন, আর আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

 

সূরা-০০২ আল বাকারা [আয়াতুল কুরসী (২৫৫)]

২.২৫৫। আল্লাহু লা-ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়ুম। লা-তাখুজুহু সিনাতুও ওয়ালা নাউম। লাহুমা ফিস সামা-ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ। মান যাল্লাযী ইয়াশফাউ ইন্দাহু ইল্লা বি ইযনিহী, ইয়া লামু-মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহিতুনা বিশাইয়িম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শা-আ, ওয়াসিয়া কুরসিহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ, ওয়ালা ইয়াউ দুহু হিফজুহুমা ওয়া হুয়াল আলিয়্যুল আজীম।

➡️ অর্থ: আল্লাহ! তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক ও রক্ষণাবেক্ষণকারী। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না। আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে, সবই তাঁর। কে আছে এমন, যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করতে পারে? তিনি জানেন যা কিছু তাদের সামনে এবং যা কিছু তাদের পেছনে। তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারে না, তবে তিনি যা চান তা ছাড়া। তাঁর কুরসী আসমান ও যমীনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে। এ দু’য়ের সংরক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। তিনি সর্বোচ্চ, মহান।

 

সূরা-০০২ আল বাকারা (শেষ ২ আয়াত, ২৮৫-২৮৬)

২.২৮৫। আ-মানার রাসূলু বিমা উনঝিলা ইলাইহি মির রাব্বিহী ওয়াল মুমিনূন। কুল্লুন আ-মানা বিল্লাহি ওয়া মালা-ইকাতিহী ওয়া কুতুবিহী ওয়া রুসুলিহী। লা-নুফাররিকু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহী। ওয়া কা-লূ সামি-না ওয়া আতা-না গুফরা-নাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাছীর। 

২.২৮৬। লা-ইউকাল্লি ফুল্লা-হু নাফসান ইল্লা-উছ-আহা। লাহা মা-কাসাবাত ওয়া আলাইহা মাকতাসাবাত। রাব্বানা লা-তু-আখিযনা ইন্নাসীনা-আও আখতানা। রাব্বানা ওয়ালা তাহমিল আলাইনা ইছরান কামা হামালতাহূ আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা। রাব্বানা ওয়ালা তুহাম্মিলনা মা-লা-তা কাতালানা বিহী ওয়াফু আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা আনতা মাওলানা ফানসুরনা আলাল কাওমিল কাফিরীন।

➡️ অর্থ:

২৮৫. রাসূল তার রবের পক্ষ থেকে যা তার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, তাতে ঈমান এনেছেন এবং মুমিনগণও। তারা সবাই ঈমান এনেছে আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসূলগণের উপর। তারা বলে, “আমরা তাঁর রাসূলদের মধ্যে কোনো পার্থক্য করি না।” তারা বলে, “আমরা শুনেছি এবং মান্য করেছি। হে আমাদের রব! আমরা আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করি, এবং আপনারই দিকে প্রত্যাবর্তন।”

২৮৬. আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না। সে যা অর্জন করে, তা তারই জন্য, এবং সে যা করে, তার দায়ও তারই উপর। “হে আমাদের রব! যদি আমরা ভুলে যাই বা ভুল করি, তাহলে আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব! আমাদের উপর এমন বোঝা চাপাবেন না, যেমন আপনি আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর চাপিয়েছিলেন। হে আমাদের রব! আমাদের উপর এমন কিছু চাপাবেন না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদেরকে মার্জনা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক, অতএব কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।”

 

সূরা-০০৩ আল ইমরান (২৬-২৭)

কুলিল্লা-হুম্মা না-লিকাল মুলকি তু’তিল মুলকা মান তাশা-উ ওয়া তানজি’উল মুলকা মিম্মান তাশা-উ, ওয়া তু’ইজ্জু মান তাশা-উ ওয়া তুজিল্লু মান তাশা-উ, বিয়াদিকাল খাইর, ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইয়্যীন কদীর।

তুলিজ্জুল্লায়লা ফিন্নাহা-রি ওয়া তুলিজুন্নাহা-রা ফিল্লাইল, ওয়া তুখরিজুল হাইয়্যা মিনাল মাইয়্যিতি ওয়া তুখরিজুল মাইয়্যিতা মিনাল হাইয়্যী, ওয়া তারজুকু মান তাশা-উ বিগাইরী হিসা-ব।

➡️ অর্থ: ৩.২৬: বলুন, “হে আল্লাহ! তুমি রাজত্বের মালিক। তুমি যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দান করো এবং যাকে ইচ্ছা রাজত্ব কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করো এবং যাকে ইচ্ছা অপমানিত করো। তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই তুমি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।”

৩.২৭: তুমি রাতকে দিনে প্রবেশ করাও এবং দিনকে রাতে প্রবেশ করাও। তুমি মৃত থেকে জীবিতকে বের করো এবং জীবিত থেকে মৃতকে বের করো। তুমি যাকে ইচ্ছা অগণিত রিজিক দান করো।

 

সূরা নং – ০০৩ আল ইমরান (১৯০-১৯৪)

৩.১৯০। ইন্না ফী খালকিস সামা-ওয়াতি ওয়াল আরদি, ওয়াখ তিলাফিল লায়লি ওয়ান্নাহারী, লা-আয়া-তিল লি উলিল আলবাব।

৩.১৯১। আল্লাযীনা ইয়াজ কুরূনাল্লাহা কিয়ামাও ওয়া কুউ’দাও ওয়া আলা জুনূবিহিম, ওয়া ইয়া তাফাক্কারূনা ফী খালকিস সামা-ওয়াতি ওয়াল আরদ, রাব্বানা মা খালাকতা হাযা বাতিলান, সুবহানাকা ফাকিনা আযাবান নার।

৩.১৯২। রাব্বানা ইন্নাকা মান তুদখিলিন্নারা ফাকাদ আখজাইতাহু, ওয়ামা লিয য-লিমীনা মিন আনসার।

৩.১৯৩। রাব্বানা ইন্নানা সামি‘না মুনাদিয়াই ইউনাদী লিল ঈমানি আন আমিনু বিরাব্বিকুম ফা-আমান্না। রাব্বানা ফাগফির লানা জুনুবানা ওয়া কাফফির আন্না সাইয়্যী আতিনা ওয়া তাওয়াফফানা মা‘আল আবরার।

৩.১৯৪। রাব্বানা ওয়া আ’তিনা মা ওয়া আ’ত্তানা আলা রুসুলিকা, ওয়ালা তুখজিনা ইয়াওমাল কিয়ামাহ; ইন্নাকা লা তুখলিফুল মী’আদ।

➡️ অর্থ: ১৯০. নিশ্চয়ই আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিতে এবং রাত ও দিনের পরিবর্তনে জ্ঞানবানদের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে।

১৯১. যারা দাঁড়িয়ে, বসে ও শয়ন অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে এবং আসমান ও যমীনের সৃষ্টিতে চিন্তা করে— তারা বলে, “হে আমাদের রব! আপনি এসব অযথা সৃষ্টি করেননি। আপনি পবিত্র! আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।”

১৯২. হে আমাদের রব! আপনি যাকে আগুনে প্রবেশ করান, নিশ্চয়ই আপনি তাকে লাঞ্ছিত করেন। আর জালিমদের কোনো সাহায্যকারী নেই।

১৯৩. হে আমাদের রব! আমরা একজন আহ্বানকারীকে শুনেছি, যে ঈমানের দিকে আহ্বান করে— “তোমরা তোমাদের রবের প্রতি ঈমান আনো।” অতঃপর আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের রব! আমাদের গুনাহ ক্ষমা করুন, আমাদের পাপ মোচন করুন এবং আমাদের সৎকর্মশীলদের সঙ্গে মৃত্যু দিন।

১৯৪. হে আমাদের রব! আমাদেরকে সেই প্রতিশ্রুতি দিন, যা আপনি আপনার রাসূলদের মাধ্যমে দিয়েছেন। এবং কিয়ামতের দিন আমাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন না। নিশ্চয়ই আপনি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

 

সূরা-০০৭: আ’রাফ (২৩)

রাব্বানা জালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওয়া তার-হামনা লানা কুনান্না মিনাল খাসেরীন।

➡️ অর্থ: হে আমাদের রব! আমরা নিজেদের প্রতি যুলুম করেছি। আর যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।

 

সূরা নং – ০১১ হুদ (আয়াত নং ৪১)

১১.৪১। বিসমিল্লাহী মাজরেহা ওয়া মুরসা-হা ইন্না রাব্বী লা গাফুরুর রাহীম।  

➡️ অর্থ: আর সে (নূহ) বলল: তোমরা এতে আরোহণ করো। এর গতি ও স্থিতি হবে আল্লাহর নামে। নিশ্চয়ই আমার রব অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

 

সূরা নং – ০১২ ইউসুফ (৮৬-৮৭)

১২.৮৬। কলু ইন্নামা-- আশকু বাচ্ছী ওয়া হুযনি ইয়া ইলাল্লাহ--। ওয়া আ’লামু মিনাল্লাহী মা’লা তা’লামুন।

১২.৮৭। ইয়া বানিয়্যাজহাবূ ফাতাহাস সাসূ মি--ইউসুফা ওয়া আখীহি ওয়া লা তাই আসূ মির রাওহিল্লাহ। ইন্না--হু লা ইয়াই--আসু মির রাওহিল্লাহি ইল্লাল কওমুল কা-ফিরূন। 

➡️ অর্থ: ১২.৮৬। তিনি বললেন, “আমি তো আমার দুঃখ ও অস্থিরতা আল্লাহর কাছেই নিবেদন করছি, এবং আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন কিছু জানি যা তোমরা জান না।

১২.৮৭। হে আমার পুত্রগণ! তোমরা যাও, ইউসুফ ও তার ভাইয়ের সন্ধান কর এবং আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই কাফির সম্প্রদায় ছাড়া কেউই আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না।

 

সূরা নং- ০১৩ আর-রাদ (আয়াত-২৮)

১৩.২৮। আল্লাযীনা আ-মানূ ওয়াতাত মা-ইন্নু কুলূবুহুম বি জিকরিল্লাহ। আলা বি জিকরিল্লাহি তাতাত মা-ইন্নুল কুলূব।

➡️ অর্থ: যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়; জেনে রাখ, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়

 

সূরা-০১৭: বনী ইসরাইল (২৪)

রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সাগীরা।

➡️ অর্থ: হে আমার রব! তাদের প্রতি দয়া করুন, যেভাবে শৈশবে তারা আমাকে লালন-পালন করেছেন।

 

সূরা-০১৮: কাহাফ (১০)

রব্বানা আ-তিনা মিল্লাদুনকা রাহমাতা ওয়া হাইয়্যিলানা মিন আমরিনা রশাদা।

➡️ অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত দিন এবং আমাদের জন্য আমাদের কর্মকান্ড সঠিক করে দিন।

 

সূরা-০২১: আল-আম্বিয়া (৮৩, ৮৭)

২১.৮৩। রাব্বি আন্নি মাস-নানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আরহামুর-রাহীমিন।

➡️ অর্থ: হে আমার প্রভু! আমি দুঃখে কষ্টে পতিত হয়েছি, তুমিইতো দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু।

 

২১.৮৭। লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন।

➡️ অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি। অবশ্যই আমি গুনাহগার।

 

সূরা-০১৯: মরিয়ম (২৯-৩৩)

২৯। ... ক্বালূ কাইফা নুকাল্লিমু মান কানা ফিল মাহদি সাবিয়্যাঁ।

৩০। ক্বলা ইন্নী আবদুল্লাহ। আতা-নিয়াল কিতাবা ওয়া জা‘আলানী নাবিয়্যাঁ।

৩১। ওয়া জা‘আলানী মুবারাকান আইনা মা কুন্তু, ওয়া আওসানী বিস্‌সালাতি ওয়াজ্‌ যাকাতি মা দুমতু হাইয়্যাঁ।

৩২। ওয়া বাররা বি ওয়ালিদাতী, ওয়ালাম ইয়াজ‘আলনী জাব্বারান শাকিইয়্যাঁ।

৩৩। ওয়াস্‌সালামু ‘আলাই

ওয়াস্‌সালামু ‘আলাইয়া ইয়াওমা উলিদতু, ওয়া ইয়াওমা আমুতু, ওয়া ইয়াওমা উব‘আসু হাইয়্যাঁ।

 ➡️ অর্থ: ২৯। ... তখন তিনি (মরিয়ম) শিশুর দিকে ইঙ্গিত করলেন। তারা বলল, ‘আমরা কিভাবে এমন একজনের সাথে কথা বলিযে এখনো দোলনায় শিশু?

৩০। সে বলল, ‘আমি আল্লাহর বান্দা। তিনি আমাকে কিতাব দিয়েছেন এবং আমাকে নবী করেছেন।’

৩১। আর তিনি আমাকে মঙ্গলময় করেছেন যেখানেই আমি থাকি না কেনএবং তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন নামায পড়তে ও যাকাত দিতে যতদিন আমি জীবিত থাকি।

৩২। আর তিনি আমাকে আমার মায়ের প্রতি অনুগত করেছেন এবং আমাকে উদ্ধত ও দুর্ভাগা করেননি।

৩৩। আর আমার প্রতি শান্তি—যেদিন আমি জন্মগ্রহণ করেছিযেদিন আমি মৃত্যুবরণ করব এবং যেদিন আমি পুনরুত্থিত হব।

 

সূরা-০২০: ত্বহা (১১৪)

রাব্বী জিদনী ইলমা।

➡️ অর্থ: হে আমার রব! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।

 

সূরা-০২১: আল-আম্বিয়া (৮৩, ৮৭)

২১.৮৩। রাব্বি আন্নি মাস-নানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আর-হামুর-রাহীমিন।

➡️ অর্থ: হে আমার প্রভু! আমি দুঃখে কষ্টে পতিত হয়েছি, তুমিইতো দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু।

২১.৮৭। লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন।

➡️ অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি। অবশ্যই আমি গুনাহগার।

 

সূরা-০২৩: আল মুমিনুন (৮৪-৮৭)

২৩.৮৪। কুল্লি মানিল আরদু ওয়া মান ফীহা ইন-কুন-তুম তা’লামূনা।

২৩.৮৫। সাইয়াকুলূনা-লিল্লা-হী কুল আফালা তাযাক্কারূন।

২৩.৮৬। কুল মার রাব্বুস সামা-ওয়া-তিস সাব-ই ওয়া রাব্বুল আরশিল আজীমী।

২৩.৮৭। সাইয়াকুলূনা-লিল্লা-হ কুল আফালা তাত্তাকুন।

➡️ অর্থ: ৮৪. বলো: “এই পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে, তা কার, যদি তোমরা জানো?”

৮৫. তারা বলবে: “আল্লাহর।” বলো: “তবুও কি তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করবে না?”

৮৬. বলো: “কে সাত আকাশের রব এবং মহান আরশের অধিপতি?”

৮৭. তারা বলবে: “আল্লাহ।” বলো: “তবুও কি তোমরা তাঁর ভয় করবে না?”

 

সূরা নং-০২৫ ফুরকান (৬১-৭৭)

৬৮। ওয়াল্লাযীনা লা-ইয়াদ‘উনা মা আল্লা-হি ইলা-হান আ-খার, ওয়ালা-ইয়াক তুলূনান নাফসাল্লাতী হার রামাল্লা-হু ইল্লা বিলহাক্কি ওয়ালা-ইয়াজনূন। ওয়া মাই-য়াফ আল যালিকা ইয়ালকা আসা-মা।

৬৯। ইউদা-আফ‌ লাহুল আযা-ব

ইউদা-আফ‌ লাহুল আযা-বু ইয়াওমাল কিয়া-মা-তি, ওয়া ইয়াখলুদ ফীহি মুহা-না।

ইউদা-আফ‌ লাহুল আযা-বু ইয়াওমাল কিয়া-মা-

ওয়া ইয়াখলুদ ফীহি মুহা-না।

৭০। ইল্লা- মান তা-বা, ওয়া আ-মানা, ওয়া ‘আমিলা ‘আমালান স-লিহা,

ফা-উলা-ইকা ইউবাদ্দিলুল্লা-হু সাইয়্যী-আ-তিহিম হাসানা-ত;

ওয়াকা-নাল্লা-হু গাফূরার রাহীমা।

৭১। ওয়া মান্ তা-বা, ওয়া ‘আমিলা সা-লিহান,

ফা-ইন্নাহূ ইয়াতূবু ইলাল্লা-হ

ফা-ইন্নাহূ ইয়াতূবু ইলাল্লা-হি মা-তা-বা।

৭২। ওয়াল্লাযীনা লা-ইয়াশহাদূনাজ্‌ জূরা, ওয়া ইযা মার্‌রূ বিল্লাগবি মার্‌রূ কিরা-মা।

৭৩। ওয়াল্লাযীনা ইযা-যুক্কিরূ বি-আয়া-তি রাব্বিহিম,

লাম ইয়াখির-রু ‘আলাইহা সুম্মাঁ

লাম ইয়াখির-রু ‘আলাইহা সুম্মাঁও ওয়া উম ইয়া-না।

৭৪। ওয়াল্লাযীনা ইয়াকূলূনা রাব্বানা হাবলানা মিন আযওয়া-জিনা ওয়া যুর্‌রিয়্যা-তিনা কুর্‌রাতা আ‘ইনিউ,

ওয়াজ আলনা

ওয়াজ আলনা লিল্‌মুত্তাকীনা ইমা-মা।

৭৫। উলা--ইকা ইউজাজাওনাল গুরফাতা বিমা সাবারূ,

ওয়া ইউল্লাক্কাওনা ফীহা তাহিয়্যাতাউ ওয়া সালা-মা।

৭৬। খ-লিদীনা ফীহা, হাসুনাত‌ মুস্তাকার রাউ-- ওয়া মুকা-মা।

৭৭। কুল মা-ইয়া বাউ বিখুম রাব্বী লাওলা- দুআ-- উকুম ফাকদ কাজ্জাবতুম

ফাকদ কাজ্জাবতুম

ফাসাওফা ইয়াকূনু লিযা-মা।

➡️ অর্থ: ৬৮। আর তারা (আল্লাহর বান্দারা) হচ্ছেন তারা, যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোনো উপাস্যকে ডাকে না, আল্লাহ যাকে হত্যা করা নিষিদ্ধ করেছেন তাকে যথার্থ কারণে ছাড়া হত্যা করে না, এবং ব্যভিচার করে না। আর যে এসব কাজ করে, সে শাস্তির সম্মুখীন হবে।

৬৯। কিয়ামতের দিন তার শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে এবং সে সেখানে লাঞ্ছিত অবস্থায় স্থায়ীভাবে অবস্থান করবে।

৭০। তবে তারা নয়—যারা তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে। আল্লাহ তাদের পাপগুলোকে পুণ্যে পরিবর্তন করে দেবেন। আর আল্লাহ তো অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

৭১। আর যে তওবা করে এবং সৎকর্ম করে, সে তো আল্লাহর দিকে পূর্ণভাবে প্রত্যাবর্তন করে।

৭২। আর তারা (আল্লাহর বান্দারা) হচ্ছেন তারা, যারা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় না এবং যখন তারা অনর্থক কথাবার্তার পাশ দিয়ে যায়, তখন সম্মানজনকভাবে পাশ কাটিয়ে যায়।

৭৩। আর তারা (আল্লাহর বান্দারা) হচ্ছেন তারা, যাদেরকে তাদের রবের আয়াত স্মরণ করিয়ে দিলে তারা তাতে বধির ও অন্ধের মতো আচরণ করে না।

৭৪। আর তারা (আল্লাহর বান্দারা) বলে, ‘হে আমাদের রব! আপনি আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করুন, যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয়। আর আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন।’

৭৫। তাদেরকে ধৈর্য ধারণের বিনিময়ে (জান্নাতের) উচ্চ কক্ষ প্রদান করা হবে, এবং সেখানে তাদেরকে অভ্যর্থনা জানানো হবে সালাম ও শুভেচ্ছা দিয়ে।

৭৬। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে। কতই না উত্তম সেই আবাসস্থল ও অবস্থান।

৭৭। বলুন, ‘তোমরা যদি তাঁকে না ডাকো, তবে আমার রব তোমাদের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করবেন না। কিন্তু তোমরা তো অস্বীকার করেছ, সুতরাং শিগগিরই তা (শাস্তি) অবধারিত হয়ে যাবে।’

 

সূরা-০২৮: কাসাস (১৬, ২৪)

২৮.১৬। রাব্বী, ইন্নী জালামতু নাফছী ফাগফিরলী।

➡️ অর্থ: হে আমার রব! আমি আমার নিজের উপর জুলুম করেছি, অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।

২৮.২৪। রাব্বি, ইন্নি লিমা আনজালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফকির।

➡️ অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আপনার পক্ষ থেকে আমার উপর যে নেয়ামতগুলি দিবেন, আমি তার জন্য ফকির হয়ে বসে আছি।

 

সূরা নং-৩০ রোম (১৭-১৯)

৩০.১৭। ফা সুবহানাল্লাহি হীনা তুমসুনা ওয়াহীনা তুছবিহূন।

৩০.১৮। ওয়ালাহুল হামদু ফিস-সামাওয়াতি ওয়াল আরদি ওয়া আশিয়্যাও ওয়া হীনা তুজহিরূন। ৩০.১৯। ইয়ুখরিজুল হাইয়্যা মিনাল মাইয়্যিতি ওয়া ইয়ুখরিজুল্ মাইয়্যিতা মিনাল হাইয়্যি ওয়া ইয়ুহয়িল আরদা বা’দা মাওতিহা ওয়া কাযা-লিকা তুখরাজুন।

➡️ অর্থ:  

৩০.১৭: অতএব তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর যখন তোমরা সন্ধ্যায় উপনীত হও এবং সকালে।

৩০.১৮: আর তাঁরই জন্য সমস্ত প্রশংসা—আকাশে ও পৃথিবীতে, সন্ধ্যায় এবং যখন তোমরা দুপুরে উপনীত হও।

৩০.১৯: তিনি জীবিতকে সৃষ্টি করেন মৃত থেকে এবং মৃতকে সৃষ্টি করেন জীবিত থেকে, এবং তিনি মৃত ভূমিকে জীবিত করেন—তোমরা এভাবেই পুনরুত্থিত হবে।

 

সূরা-০৩৩: আল আহযাব (৩৫)

ইন্নাল মুসলিমীনা ওয়াল মুসলিমাতি ওয়াল মুমিনীনা ওয়াল মুমিনা-তি ওয়াল ক-নিতীনা ওয়াল ক-নিতাতি ওয়াছ ছোয়া-দিকীনা ওয়াছ ছোয়া-দিকাতি ওয়াছ ছোয়াবিরীনা ওয়াছ ছোয়াবির-তি ওয়াল খ-শি‘ঈনা ওয়াল খ-শি‘আতি ওয়াল মুতাছোয়াদ্দিক্বীনা ওয়াল মুতাছোয়াদ্দি ক্ব-তি ওয়াছ ছোয়া----য়িমীনা ওয়াছ ছোয়া----য়িমাত। ওয়াল হাফিজীনা ফুরূজ্বাহুম ওয়াল হা-ফিজা-তি অয্যা-কিরীনাল্লা-হা কাছীরঁও অয্যা-কিরা-তি আ‘আদ্দাল্লা-হু লাহুম মাগফিরাতাও ওয়া আজরন আজীমা-।

➡️ অর্থ: ৩৩.৩৫: নিশ্চয় মুসলিম পুরুষ ও নারী, মুমিন পুরুষ ও নারী, অনুগত পুরুষ ও নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও নারী, ধৈর্যশীল পুরুষ ও নারী, বিনয়াবনত পুরুষ ও নারী, দানশীল পুরুষ ও নারী, সিয়ামপালনকারী পুরুষ ও নারী, নিজদের লজ্জাস্থানের হিফাযতকারী পুরুষ ও নারী, আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী পুরুষ ও নারী, তাদের জন্য আল্লাহ মাগফিরাত ও মহান প্রতিদান প্রস্তুত রেখেছেন।

সূরা নং ৩৬: ইয়াসীন (১-১২)

৩৬.১. ইয়াসীন।

৩৬.২. ওয়াল কুরআনিল হাকিম।

৩৬.৩. ইন্নাকা লা-মিনাল মুরসালিন।

৩৬.৪. আলা সিরাতিম মুসতাকিম।

৩৬.৫. তানজিলাল আজিজির রাহিম।

৩৬.৬. লিতুনজিরা কাওমাম্মা উনজিরা আবা উহুম ফাহুম গাফিলুন।

৩৬.৭. লাকাদ হাক্কাল কাওলু আলা আকসারিহিম ফাহুম লা-ইউমিনুন।

৩৬.৮. ইন্না যা-আলনা ফি আনা কিহিম আগলালান ফাহিয়া ইলাল আজকানি ফাহুম মুকমাহুন।

৩৬.৯. ওয়া যা-আলনা মিম বাইনি আইদিহিম ছাদ্দাও ওয়া মিন খালফিহিম ছাদ্দান ফাআগশাইনা হুম ফাহুম লা-ইউবসিরুন।

৩৬.১০. ওয়া ছাওয়াউন আলাইহিম আ-আনযারতাহুম আম লাম তুনজিরহুম লা-ইউমিনুন।

৩৬.১১. ইন্নামা তুনজিরু মানিত্তাবা আজজিকরা ওয়া খাশিয়ার রাহমানা বিলগাইবি ফাবাশশিরহু বিমাগফিরাতিও ওয়া আজরিন কারিম।

৩৬.১২. ইন্না নাহনু-নুহয়িল মাওতা ওয়া নাকতুবু মা কাদ্দামু ওয়া আছা-রাহুম ওয়া কুল্লা শাইয়িন আহসাইনাহু ফি ইমামিম মুবিন।

 ➡️ অর্থ:

১। ইয়া-সীন।

২। প্রজ্ঞাময় কুরআনের শপথ।

৩। নিশ্চয় আপনি প্রেরিত রসূলগণের একজন।

৪। আপনি সরল পথে প্রতিষ্ঠিত।

৫। এটি পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

৬। যাতে আপনি এমন এক জাতিকে সতর্ক করেন, যাদের পূর্বপুরুষদেরকে সতর্ক করা হয়নি, ফলে তারা গাফেল।

৭। তাদের অধিকাংশের জন্য শাস্তির বিষয় অবধারিত হয়েছে, তাই তারা ঈমান আনবে না।

৮। আমি তাদের গলায় বেড়ি পরিয়েছি, যা চিবুক পর্যন্ত পৌঁছেছে—ফলে তাদের মাথা ঊর্ধ্বমুখী হয়ে গেছে।

৯। আমি তাদের সামনে ও পিছনে প্রাচীর স্থাপন করেছি এবং তাদেরকে আচ্ছাদিত করেছি, ফলে তারা দেখে না।

১০। আপনি তাদেরকে সতর্ক করুন বা না করুন, তাদের পক্ষে তা সমান—তারা ঈমান আনবে না।

১১। আপনি তো কেবল তাকে সতর্ক করতে পারেন, যে উপদেশ অনুসরণ করে এবং অদৃশ্যের প্রতি ভয় করে। অতএব তাকে ক্ষমাশীলতা ও মহাপুরস্কারের সুসংবাদ দিন।

১২। নিশ্চয় আমিই মৃতদের পুনর্জীবিত করি এবং যা তারা আগেই করেছে ও যা তারা রেখে গেছে, সবই আমি লিখে রাখি। আমি সবকিছু সংরক্ষণ করেছি সুস্পষ্ট কিতাবে।

 

সূরা-০৩৭: আস সাফফাত   (১৮০-১৮২)

৩৭.১৮০: সুবহানা রাব্বীকা রাব্বীল ইজ্জাতি আম্মা ইয়াছিফুন।

৩৭.১৮১: ওয়া সালামুন আলাল মুরসালীন।

৩৭.১৮২: ওয়াল হামদুলিল্লাহী রাব্বীল আলামীন।

➡️ অর্থ: ৩৭.১৮০: তারা যা বর্ণনা করে, তা থেকে তোমার প্রতিপালক, মহাপরাক্রমশালী রব পবিত্র।

৩৭.১৮১: এবং শান্তি বর্ষিত হোক প্রেরিতদের উপর।

৩৭.১৮২: আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সকল জগতের পালনকর্তা।

 

 

সূরা-০৩৮: ছোয়াদ (৩৫)

রাব্বিগ ফিরলী ওয়া হাবলী মুলকাল লা-ইয়ামবাগী লিআহাদিম মিম বাদী ইন্নাকা আনতাল ওয়াহহা-ব।

➡️ অর্থ:  হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমাকে দান করুন এমন এক রাজ্য, যার অধিকারী আমি ছাড়া আর কেউ যেন না হয়। আপনি তো পরম দাতা।

 

সূরা নং ৫৫: আর রাহমান (১-২১)

১। আর রাহমান

২। আল্লামাল কুরআন

৩। খালাকাল ইনছান

৪। আল্লামাহুল বায়ান

৫। আশ শামছু ওয়াল কামারু বি হুছবান

৬। ওয়ান নাজমু ওয়াশ শাজারু ইয়াছ জুদান

৭। ওয়াছ ছামা'আ রাফা আহা ওয়া ওয়াদা'আল মীজান

৮। আল্লা তাতাগাও ফিল মীজান

৯। ওয়া আকীমুল ওয়াঝনা বিলকিছতি ওয়ালা তুখছিরুল মীজান

১০। ওয়াল আরদা ওয়াদা আহালিল আনাম

১১। ফীহা ফাকিহাতুও ওয়ান্নাখলু-যাতুল আকমাম

১২। ওয়াল হাব্বুযুল আসফি ওয়ার রাইহান

১৩। ফাবি আইয়্যী আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাযযিবান

১৪। খালাকাল ইনছানা মিন সালসালিন কাল ফাখখার

১৫। ওয়া খালাকাল জান্না মিম্মা-রিজিম মিন্নার

১৬। ফাবি আইয়্যী আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাযযিবান 

১৭। রাব্বুল মাশরিকাইনি ওয়া রাব্বুল মাগরিবাইন 

১৮। ফাবি আইয়্যী আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাযযিবান 

১৯। মারাজাল বাহরাইনি ইয়াল তাকিয়ান

২০। বাইনাহুমা বারঝাখুল লা-ইয়াবগিয়ান

২১। ফাবি আইয়্যী আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাযযিবান

২২. ইয়াখরুজু মিন হুমাল লুলুউ ওয়াল মারযা-ন।

২৩. ফাবি আইয়্যী আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাযযিবান

২৪. ওয়ালাহুল যাওয়া-রিল মুনশাআ-তুফিল বাহরি কালআলা-ম।

২৫ ফাবি আইয়্যী আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাযযিবান

২৬. কুল্লুমান ‘আলাইহা-ফা-ন

২৭. ওয়া-ইয়াব-কাওয়াজ-হু রাব্বিকা জুল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম।

২৮. ফাবি আইয়্যী আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাযযিবান

➡️ অর্থ: 

১। পরম করুণাময়।

২। তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কুরআন।

৩। সৃষ্টি করেছেন মানুষ।

৪। তাকে শিখিয়েছেন বর্ণনা।

৫। সূর্য ও চন্দ্র হিসাবমতো চলে।

৬। তৃণলতা ও বৃক্ষ সেজদা করে।

৭। তিনি আকাশকে করেছেন সমুন্নত এবং স্থাপন করেছেন তুলাদণ্ড।

৮। যাতে তোমরা সীমালঙ্ঘন না কর তুলাদণ্ডে।

৯। তোমরা ন্যায্য ওজন কায়েম কর এবং ওজনে কম দিও না।

১০। তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্টজীবের জন্য।

১১। এতে আছে ফলমূল এবং বহিরাবরণবিশিষ্ট খর্জুর বৃক্ষ।

১২। আছে খোসাবিশিষ্ট শস্য ও সুগন্ধি ফুল।

১৩। অতএব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?

১৪। তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়ানো মাটির মতো শব্দযুক্ত কাদামাটি থেকে।

১৫। এবং জিনকে সৃষ্টি করেছেন আগুনের শিখা থেকে।

১৬। অতএব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?

১৭। তিনি দুই পূর্বের ও দুই পশ্চিমের রব।

১৮। অতএব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?

১৯। তিনি দুই সাগরকে প্রবাহিত করেছেন, তারা মিলিত হয়।

২০। তাদের মাঝে রয়েছে এক অন্তরায়, তারা একে অপরকে ছাড়িয়ে যায় না।

২১। অতএব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?

২২. উভয় দরিয়া থেকে উৎপন্ন হয় মোতি ও প্রবাল।

২৩. অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?
২৪. দরিয়ায় বিচরণশীল পর্বতদৃশ্য যাহাজসমুহ তাঁরই (নিয়ন্ত্রণাধীন)

২৫. অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

২৬.ভূপৃষ্ঠের সবকিছুই ধ্বংসশীল।

২৭.একমাত্র আপনার মহিমায় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া।

২৮. অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

 

সূরা-৫৬: ওয়াকিয়াহ (১-১৫)

১। ইযা-ওয়াকা আতিল্ ওয়া-কিয়াহ।

২। লাইছা লি ওয়াক আতিহা কাযিবাহ।

৩। খফিদাতুর রাফিয়াহ।

৪। ইযা রুজ্জাতিল আরদু রাজ্জা।

৫। ওয়া বুচ্ছাতিল জিবালু বাচ্ছা

৬। ফাকানাত হাবা—আম মুম বাচ্ছা।

৭। ওয়া কুন—তুম আঝওয়া জান ছালাছাহ।

৮। ফা আছ হাবুল মাইমানাতি মা—আছ হাবুল মাইমানাহ।

৯। ওয়া আছ হাবুল মাশ’আমাতি মা—আছ হাবুল মাশ’আমা।

১০। ওয়াস-সাবিকুনাস-সাবিকুন

১১। উলাইকাল মুকাররাবুন

১২। ফি জান্নাতিন নাঈম

১৩। সুল্লাতুম মিনাল আওয়্যালীন

১৪। ওয়া কালীলুম মিনাল আখিরীন

১৫। আলা সুরুরিম মাওদুনাহ

➡️ অর্থ: 

১। যখন সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা ঘটবে,

২। তার সংঘটন অস্বীকার করার কেউ থাকবে না।

৩। (অনেককে করা হবে) নীচু, (অনেককে করা হবে) উঁচু।

৪। যখন পৃথিবী প্রবল কম্পনে হবে প্রকম্পিত,

৫। আর পাহাড়গুলো হবে চূর্ণ বিচূর্ণ,

৬। তখন তা বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত হবে।

৭। আর তোমরা হবে তিন অংশে বিভক্ত,

৮। তখন (হবে) ডান দিকের একটি দল; কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল।

৯। আর (হবে) বাম দিকের একটি দল; কত হতভাগা বাম দিকের দল।

১০। আর অগ্রবর্তী দল, তারাই তো অগ্রবর্তী।

১১। তারাই আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত।

১২। নাঈমের জান্নাতে থাকবে তারা।

১৩। তারা একদল পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।

১৪। আর অল্পসংখ্যক পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

১৫। তারা থাকবে সোনাদ্বারা অলঙ্কৃত সিংহাসনে।

 

সূরা-০৫৯ হাশর (শেষ ৩ আয়াত)

৫৯.২২। হুয়াল্লাহুল্লাযি লা-ইলাহা ইল্লা হুয়া আলিমুল গাইবি ওয়াশ শাহাদাতি হুওয়ার রাহমানুর রাহীম।

৫৯.২৩। হুয়াল্লাহুল্লাযি লা-ইলাহা ইল্লা হুয়া আল-মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল মুমিনুল মুহাইমিনুল আযীযুল জাব্বারুল মুতাকাব্বিরু, সুবহানাল্লাহি আম্মা ইউশরিকুন।

৫৯.২৪। হুয়াল্লাহুল খালিকুল বারিউল মুছাওয়্যিরু লাহুল আসমাউল হুসনা, ইউসাব্বিহু লাহু মা ফিস-সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ ওয়া হুয়াল আযীযুল হাকীম।

➡️ অর্থ: 

৫৯.২২: তিনি আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি অদৃশ্য ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা। তিনি পরম করুণাময়, পরম দয়ালু।

৫৯.২৩: তিনি আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি রাজাধিরাজ, মহাপবিত্র, শান্তিদাতা, নিরাপত্তা বিধায়ক, রক্ষক, পরাক্রমশালী, প্রবল, অহংকারের অধিকারী। তারা যাকে শরিক করে, তিনি তার ঊর্ধ্বে ও পবিত্র।

৫৯.২৪: তিনি আল্লাহ, স্রষ্টা, উদ্ভাবনকারী, রূপদাতা। তাঁরই রয়েছে সুন্দর সুন্দর নাম। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সবই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

 

সূরা নং- ০৯৩ আদ দোহা (প্রথম ৫ আয়াত)

১. ওয়াদ দুহা।

২. ওয়াল্লাইলি ইযা-ছাজা।

৩. মা-ওয়াদ্দা‘আকা রাব্বুকা ওয়ামা-কালা।

৪. ওয়ালাল আ-খিরাতু খাইরুল্লাকা মিনাল ঊলা।

৫. ওয়ালা ছাওফা ইউ’তীকা রাব্বুকা ফাতারদা।     

 

 ➡️ অর্থ: 

১। শপথ পূর্বাহ্নের,

২। শপথ রাত্রির, যখন তা গভীর হয়,

৩। আপনার পালনকর্তা আপনাকে ত্যাগ করেননি এবং আপনার প্রতি বিরূপও হননি।

৪। নিশ্চয়ই আপনার জন্যে পরকাল ইহকাল অপেক্ষা শ্রেয়।

৫। আপনার পালনকর্তা সত্বরই আপনাকে দান করবেন, অতঃপর আপনি সন্তুষ্ট হবেন।

 

সূরা-১০১: করিয়াহ (আয়াত সংখ্যা-১১)

১। আল করিয়াতু।

২। মাল করিয়াহ।

৩। ওয়ামা-- আদরাকা মাল—করিয়াহ।

৪। ইয়াওমা ইয়াকুনুন-নাছুকাল ফারাশিল মাবছুত।

৫। ওয়াতা কুনুল জিবালু কাল ইহনিল মাংফুশ।

৬। ফা আম্মা মাং ছাকুলাত মাওয়া ঝিনুহ।

৭। ফাহুয়া ফি ইশাতির রদিয়াহ।

৮। ওয়া আম্মা মান খাফফাত মাওয়া ঝিনুহ।

৯। ফাউম্মুহু হা-উ ইয়াহ।

১০। ওয়ামা আদরাকা মাহিয়া?

১১। নারুন হামিয়া।

 ➡️ অর্থ: 

১। (স্মরণ কর) সেই ঘটনা, যা (অন্তরাত্মা) কাঁপিয়ে দেবে।

২। (অন্তরাত্মা) প্রকম্পিতকারী সে ঘটনা কী?

৩। (অন্তরাত্মা) প্রকম্পিতকারী সে ঘটনা সম্পর্কে আপনি কি জানেন?

৪। যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতংগের মত,

৫। এবং পর্বতমালা হবে ধুনিত রঙ্গীন পশমের মত।

৬। তখন যার পাল্লা ভারী হবে,

৭। সে সুখীজীবন যাপন করবে।

৮। আর যার পাল্লা হালকা হবে,

৯। তার ঠিকানা হবে এক গভীর গর্ত।

১০। আপনি জানেন তা কি?

১১। প্রজ্জ্বলিত অগ্নি!

 

সূরা-১০২ তাকাসুর

১০২.১। আল-হা কুমুত-তাকাছুর।

১০২.২। হাত্তা-ঝুরতুমুল-মাকাবির।

১০২.৩। কাল্লা ছাউফা-তা’লামুন।

১০২.৪। ছুম্মা-কাল্লা ছাউফা-তা’লামুন।

১০২.৫। কাল্লা-লাও তা-লামুনা-ইলমাল-ইয়াকীন।

১০২.৬। লা-তারা-উন্নাল-জাহিম।

১০২.৭। ছুম্মা লাতারা-উন্নাহা-আইনাল-ইয়াকীন।

১০২.৮। ছুম্মা লাতুছ-আলুন্না-ইয়াও মা-ইযিন-আনিন না’ঈম।

 ➡️ অর্থ: 

১। প্রাচুর্যের লালসা তোমাদেরকে গাফেল রাখে।

২। এমনকি, তোমরা কবরস্থানে পৌঁছে যাও।

৩। না, কখনও নয়! তোমরা সত্ত্বরই জানতে পারবে।

৪। আবারও বলছি, না! তোমরা সত্ত্বরই জানতে পারবে।

৫। না, যদি তোমরা নিশ্চিত জ্ঞান লাভ করতে!

৬। তোমরা অবশ্যই জাহান্নাম দেখবে।

৭। অতঃপর তোমরা তা দেখবে দিব্য প্রত্যয়ে।

৮। সেদিন তোমাদেরকে নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।

 

ফীল [সূরা ১০৫]

১। আলাম তরা কাইফা ফা-আলা রাব্বুকা বি আসহাবিল-ফীল

২। আলাম ইয়াজ-আল কায়দাহুম ফি তদলিল

৩। ওয়ারসালা আলাইহিম তাইরান আবাবীল

৪। তারমিহিম হিজারাতিম মিন সিজ্জিল

৫। ফাজা-আলাহুম কা-আসফিম মা’-কুল

➡️ অর্থ:

১। তুমি কি দেখনি কীভাবে তোমার রব হাতির দলকে মোকাবেলা করল?

২। সে তাদের কৌশলকে পথভ্রষ্ট করেছে।

৩। এবং তিনি তাদের ওপর দলবদ্ধ পাখি পাঠাল।

৪। পাথর নিক্ষেপ করে যা পিষা মাটির।

৫। অতএব তিনি তাদেরকে শুকনো পাতা যা খাওয়া হয়েছে, এমন অবস্থায় পরিণত করলেন।

 

 

কুরাইশ [সূরা ১০৬]

১। লি-ইলাফি কুরাইশ

২। ইলাফিহিম রিহলাতা শ-শিতাই ওয়াস-সাইফ

৩। ফাল ইয়া-বুদু রাব্বা হাযাল-বা-য়ীদ

৪। আল্লাযী আত-আমাহুম মিন জুউ-ইন ওয়া আমানাহুম মিন খউফ

➡️ অর্থ:

১। কুরাইশ গোত্রের অভ্যস্ততা / স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য।

২।  তাদের যাত্রার নিরাপত্তা শীত ও গরমের সময়।

৩। অতএব তারা ইবাদত করুক এই ঘরের রবকে।

৪।  যিনি তাদের ক্ষুধা থেকে খাওয়িয়েছেন এবং ভয় থেকে নিরাপদ রাখিয়েছেন।

 

 

কাওসার [সূরা ১০৮]

১। ইন্না আ-তাইনা কাল-কাওসার

২। ফাসল্লি লি রাব্বিকা ওয়ান-হার

৩। ইন্না শানিআকা হুয়াল-আবতার

➡️অর্থ:

১। নিশ্চয়ই আমরা তোমাকে কাওসার দিয়েছি।

২। অতএব তোমার রবের জন্য নামাজ পড়ো এবং কোরবানি দাও।

৩। নিশ্চয়ই তোমার শত্রুই ব্যর্থ ও বংশহীন।

 

কাফিরুন [সূরা ১০৯]

১। কুল ইয়া আয়্যুহাল-কাফিরুন

২। লা আ’বুদু মা তা’বুদুন

৩। ওয়ালা আনতুম আবিদুনা মা আ’বুদ

৪। ওয়ালা আনা আবিদুম মা আবাদতুম

৫। ওয়ালা আনতুম আবিদুনা মা আ’বুদ

৬। লাকুম দিনুকুমম ওয়া লি’য়া দ্বীন

➡️অর্থ:

১। বলো, হে অবিশ্বাসীরা!

২। আমি সেই জিনিস উপাসনা করি না যা তোমরা উপাসনা করো।

৩। এবং তোমরাও উপাসনা করবে না যা আমি উপাসনা করি।

৪। এবং আমি উপাসনা করব না যা তোমরা উপাসনা করেছ।

৫। এবং তোমরাও উপাসনা করবে না যা আমি উপাসনা করি।

৬। তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম, এবং আমার জন্য আমার ধর্ম।

 

নাসর [সূরা ১১০]

১। ইযা জা’আ নাসরুল্লাহি ওয়াল ফাত-হ

২। ওয়া রাইতান-নাসা ইয়াদখুলূনা ফি দীনিল্লাহি আফওয়াজা

৩। ফাসাব্বিহ্ বিহামদি রাব্বিকা ওয়াস্তাগফিরহু ইনাহু কানা তাওয়াবা

➡️অর্থ:

১। যখন আল্লাহর সাহায্য এবং বিজয় আসে।

২। এবং তুমি দেখবে মানুষদের আল্লাহর ধর্মে প্রবেশ করছে দলবদ্ধভাবে।

৩। অতএব তোমার রবের প্রশংসা করো এবং তাঁকে ক্ষমা চাও, নিশ্চয়ই তিনি বারংবার ক্ষমা করেন।

 

লাহাব [সূরা ১১১]

১। তাব্বাত ইয়াদা আবী লাহাবিউ ওয়াতাব্বা

২। মা আগনা আনহু মা-লুহু ওয়ামা কাসাব

৩। সায়াসলা নারান যাতা লাহাব

৪। ওয়ামরাতুহু হাম্মা-লাতাল হাতাব

৫। ফি জিদিহা হবলুম মিম মাসাদ

➡️অর্থ:

১। ধ্বংস হোক আবু লাহাবের দুই হাতের, এবং ধ্বংস হোক সে।।

২। তার ধন বা অর্জন তাকে কিছুই উপকারে আসবে না।

৩। সে জ্বলন্ত আগুনে দগ্ধ হবে।

৪। এবং তার স্ত্রী আগুনের কাঠ বহনকারী।

৫। তার ঘাড়ে একটি দড়ি রয়েছে যা জ্বলন্ত।

ইখলাস [সূরা ১১২]

১। কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ

২। আল্লাহুস-সামাদ

৩। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ

৪। ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ

➡️অর্থ:

১। বলো, তিনি আল্লাহ, এক।

২। আল্লাহ পরম নির্ভরযোগ্য, সবকিছু তাঁর উপর নির্ভর করে।

৩। তিনি জন্ম দেননি, এবং জন্মগ্রহণও করেননি।

৪। এবং তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।

 

ফালাক [সূরা ১১৩]

১। কুল আউজু বিরাব্বিল-ফালাক

২। মিন শাররি মা খালাক

৩। ওয়া মিন শাররি গাসিকন ইযা ওয়াকাব

৪। ওয়া মিন শাররি নাফফাছাতি ফিল-উকাদ

৫। ওয়া মিন শাররি হাসিদন ইযা হাসাদ

➡️অর্থ:

১। বলো, আমি আশ্রয় নিই প্রভাতের [সৃষ্টির] রবের কাছে।

২। যে সব কিছু তিনি সৃষ্টি করেছেন তার ক্ষতি থেকে।

৩। এবং যখন রাতের অন্ধকার প্রবেশ করে, তখন তার ক্ষতি থেকে।

৪। এবং যাদের গিঁটে [যাদু বা জাদুকরের ফুঁতে] ক্ষতি করতে পারে, তাদের থেকে।

৫। এবং হিংসুকের ক্ষতি থেকে যখন সে ঈর্ষা করে।

 

নাস [সূরা ১১৪]

১। কুল আউজু বিরাব্বিন্নাস

২। মালিকিন্নাস

৩। ইলাহিন্নাস

৪। মিন শাররিল-ওয়াস ওয়াসিল-খান্নাস

৫। আল্লাযী ইউ ওয়াস ইউসু ফি সুদুরিন্নাস

৬। মিনাল-জিন্নাতি ওয়ান্নাস

➡️অর্থ:

১। বলো, আমি আশ্রয় নিই মানুষের রবের কাছে।

২। মানুষের অধিপতি।

৩। মানুষের একমাত্র উপাস্য।

৪। বিপদ থেকে, যিনি ফিসফিস করে এবং লুকিয়ে থাকে।

৫। যিনি মানুষের অন্তরে ফিসফিস করে।

৬। জিন এবং মানুষের ক্ষতি থেকে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন