ইস্তেগফার
১। সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার
আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আহ্দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ’উযুবিকা মিন শাররি মা ছা’নাতু আবূউলাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী ফাগ্ফির্লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আনতা
ফজিলতঃ
শাদ্দাদ ইবনু আউস [রাঃ] হতে বর্ণিত- রাসূলাল্লাহ [সাঃ] বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি দিনে [সকালে] দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার পড়বে আর সন্ধ্যা হবার আগেই সে মারা যাবে, সে জান্নাতী হবে। আর যে ব্যক্তি রাতে দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে পড়বে আর সে ভোর বা সকাল হবার আগেই মারা যাবে সে জান্নাতী হবে।‘ [বুখারী-৬৩০৬, ৬৩২৩, তিরমিজি ৩৩৯৩, মিশকাত ২৩৩৫]
২। ১০০ বার সুব্হানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহ।
অর্থঃ আল্লাহ তা’আলার সপ্রশংস পবিত্রতা বর্ণনা করছি।
ফযিলত:
ü এটি ফেরেশতাদের তাসবীহ।
ü রাসুল সা. বলেন, যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার তাসবিহটি পাঠ করবে তাঁর পাপগুলো মুছে ফেলা হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনারাশির সমান হয়ে থাকে। [বুখারী: ৬৪০৫]
ü এ তাসবীহ পাঠে এত অধিক নেকী লাভ হয় যে, হাশর ময়দানে কেউ তারমত নেকী হাজির করতে পারবে না – যে ব্যক্তি তার সমান ও তাসবীহ পড়েছে, সে ছাড়া।
৩। আস্তাগফিরুল্লা-হ আল আযীম, আল্লাযী লা-ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহী।
ফজিলতঃ সমুদ্রের ফেনারাশির সমান পাপ মোচনের দু’আ
৪। [প্রত্যহ দিনে বা রাতে অথবা সপ্তাহে কিংবা মাসে অন্তত ১ বার]
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারীকালাহু, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়ালা-হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লাবিল্লাহ।
ফজিলতঃ এই দু’আয় আল্লাহ পাক বান্দার গুনাহ ক্ষমা করে দেন
৫। সুবহানাল্লাহ – আলহামদুলিল্লাহ – লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু – ওয়াল্লাহু আকবার
ফজিলতঃ গুনাহ গাছের পাতার মতো ঝরে যায়।
৬। প্রতিদিন যে দোয়া পড়লে কবিরা গুণাহ মাফ হয়ে যায় –
আলহামদুলিল্লা-হিল্লাযি কাসানি হাযা ও রাযাকা নিয়াহু মিন গাইরি হাওলিন মিন্নি ওয়ালা কুওয়্যাতিন।
এ ছাড়াও নিয়মিত জুমা আদায় করা, সদকা করা, রোগ- শোক ও বিপদে ধৈর্য ধারণ করা, পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া, অন্যের অপরাধ ক্ষমা করে দেওয়া ইত্যাদি আমলের বিনিময়ে অতীতের সকল কবিরা গুনাহ ক্ষমা হয়।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন