ইস্তিখারার [কল্যান কামনার] সালাত

 

ইস্তিখারার [কল্যান কামনার] সালাত

জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ [রাঃ] থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃ] আমাদেরকে ঐভাবেই ইস্তিখারার সালাত শিখাতেন, যেভাবে তিনি আমাদেরকে কুরআনের সূরা শিখাতেন।                         [বুখারী ১১৬৬]

 

ইস্তিখারার সালাতের নিয়ম হলো, প্রথম ২ রাকআ’ত সালাত আদায় করবে তারপর এই দুআটি পড়বে,

আল্লাহুম্মা ইন্নী আস্তাখীরুকা বি-ইলমিকা, ওয়া আস্তাকদিরুকা বি-কুদরাতিকা, ওয়া আসআলুকা মিন ফাযলিকাল আযীম, ফা-ইন্নাকা তাকদিরু ওয়ালা আকদিরু, ওয়া তা’লামু ওয়ালা আ’লামু, ওয়া আন্তা আল্লা-মুল গুয়ূব, আল্লাহুম্মা ইন কুন্তা তা’লামু আন্না হা-যাল আমরা খায়রুল্লী ফী দ্বীনী ওয়া মা-আ-শী ওয়া আকিবাতি আমরী ফাকদিরহু লী ওয়া ইয়াছসিরহু লী ছুম্মা বারিকলী ফী-হ, ওয়া ইন কুন্তা তা’লামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লী ফী দ্বীনী ওয়া মা-আ-শী ওয়া আকিবাতি আমরী ফাসরিফহু আন্নী ওয়াছরিফনী আনহু ওয়াকদির লিইয়াল খায়রা হাইছু কা-না ছুম্মা আরযিনী বিহী।

অর্থঃ হে আলাহ! আমি তোমার ইলমের মাধ্যমে তোমার নিকট কল্যাণ কামনা করছি। তোমার ক্বুদরতের মাধ্যমে তোমার নিকট শক্তি কামনা করছি এবং তোমার মহান অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। তুমি শক্তিধর আমি শক্তিহীন। তুমি জ্ঞানবান, আমি জ্ঞানহীন এবং তুমি অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞানী, হে আল্লাহ্! এই কাজটি [এখানে উদ্দিষ্ট কাজটি উল্লেখ করবে] তোমার জ্ঞান মুতাবিক যদি আমার দ্বীন, আমার জীবিকা এবং আমার কাজের পরিণতির দিক কল্যাণকর হয়, তবে উহা আমার জন্য নির্ধারিত করে দাও এবং উহাকে আমার জন্য সহজলভ্য করে দাও, অতঃপর উহাতে আমার জন্য বরকত দাও। আর যদি এই কাজটি তোমার জ্ঞানের আলোকে আমার দ্বীন, আমার জীবিকা এবং আমার কাজের পরিণতির দিক দিয়ে অনিষ্টকর হয়, তবে উহাকে আমার নিকট থেকে দূরে সরিয়ে দাও এবং আমাকেও উহা হতে দূরে সরিয়ে রাখো।  তারপর কল্যাণ যেখানেই থাকুক, আমার জন্য সে কল্যাণ নির্ধারিত করে দাও। অতঃপর তাতেই আমাকে পরিতুষ্ট রাখো।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন