রাতের বেলায় পাঠের জন্য হাদিসে বর্ণিত সূরা ও আয়াত

 

রাতের বেলায় পাঠের জন্য হাদিসে বর্ণিত সূরা ও আয়াত

রাতের বেলায় যে সকল সূরা ও আয়াত পড়ার ব্যাপারে হাদিস বর্ণিত হয়েছে সেগুলো নিম্নরূপ:

🌀 ক. রাসূল [সাঃ] যে সকল সূরা পাঠ না করে ঘুমাতেন না সেগুলো হল ৪টি সূরা। যথা:

[১] আলিফ লাম তানযীল [সূরা সাজদাহ]

[২] তাবারাকাল্লাযি বিইয়াদিহিল মুলক [সূরা মুলক]

[৩] সূরা ইসরা

[৪] সূরা যুমার।

🌀 খ. রাসূল (সাঃ) যে সকল সূরা পড়ে শরীর মাসেহ করতেন [শরীরে হাত বুলাতেন]। সেগুলো হল ৩টি সূরা। যথা:

[১] সূরা ইখলাস

[২] সূরা ফালাক

[৩] সূরা নাস।

প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিছানায় গিয়ে হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে এ ৩টি সুরা পড়ে তাঁর মাথা, মুখমণ্ডল এবং শরীরের উপরিভাগে যতদূর সম্ভব মাসেহ করতেন [হাত বুলাতেন]। তিনি এমনটি তিনবার করতেন।

🌀 গ. সূরা কাফিরূন: শিরক থেকে মুক্তির ঘোষণা

রাসূল [সাঃ] বলেন: "এ সূরাটির মধ্যে রয়েছে শিরক থেকে মুক্তির ঘোষণা। তাই তিনি ঘুমের পূর্বে এটি পাঠ করতে বলেছেন।                                               [তিরমিজি, হাদিস: ৩৪০৩ – হাসান সহীহ]

🌀 ঘ. আয়াতুল কুরসী:

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে: "বিছানায় গিয়ে এই আয়াতটি পাঠ করলে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন প্রহরী [ফেরেশতা] নিয়োগ দেয়া হয় এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তার কাছে আসতে পারে না।

🌀 ঙ] সূরা বাকারা এর শেষ দুই আয়াত পাঠ:

রাসূল (সাঃ) বলেন: "যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারা এর শেষ দুটি আয়াত পাঠ করবে তা তার সারা রাতের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে।" [হাদিসের ব্যাখ্যাকারীগণ বলেন: রাতে এ দুটি আয়াত পাঠ কারীর জন্য রাতে নফল সালাত আদায় অথবা বিপদাপদ থেকে রক্ষা অথবা উভয়টির জন্য যথেষ্ট হয়]

🌀 চ. ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে সূরা আলে ইমরানের শেষ দশটি আয়াত পাঠ:

রাসূল (সাঃ) রাকে ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে এ দশটি আয়াত পাঠ করতেন।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন