হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত।
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন:
“হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় মানুষ কে? আর সবচেয়ে প্রিয় আমল কোনটি?”
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন:
“আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় মানুষ সে, যে মানুষের সবচেয়ে বেশি উপকার করে।
আর আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো— কোনো মুসলমানকে খুশি করা, তার কোনো বিপদ দূর করা, তার ঋণ পরিশোধ করা, অথবা তার ক্ষুধা নিবারণ করে তার মুখে হাসি ফোটানো।
কোনো মুসলমান ভাইয়ের প্রয়োজন পূরণের জন্য তার সাথে কোথাও যাওয়া (সাহায্য করা), আমার কাছে মসজিদে নববীতে এক মাস ইতিকাফ করার চেয়েও বেশি প্রিয়।
যে ব্যক্তি রাগ করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও রাগ দমন করে, আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন তার অন্তর আনন্দে ভরে দেবেন।
আর যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের কোনো প্রয়োজন পূরণ করে দেয়, আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন (যেদিন সবার পা টলমল করবে) তার পা স্থির ও মজবুত করে দেবেন।”
রেফারেন্স:
- আত-তারগীব ওয়াত তারহীব (ইমাম মুনযিরী): ৩/৩৪৬-৩৬১
- মাজমাউয যাওয়াইদ (ইমাম হাইসামী): ৮/১৯১
- সহীহুল জামি’স সাগীর (শায়খ আলবানী): হাদিস নং ১৭৬
- আল-মুজামুল কাবীর (ইমাম তাবারানী)
হাদিসের মান: হাসান (আলবানী রহ. অনুসারে হাসান লিগাইরিহি)
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন:
“হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় মানুষ কে? আর সবচেয়ে প্রিয় আমল কোনটি?”
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন:
“আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় মানুষ সে, যে মানুষের সবচেয়ে বেশি উপকার করে।
আর আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো— কোনো মুসলমানকে খুশি করা, তার কোনো বিপদ দূর করা, তার ঋণ পরিশোধ করা, অথবা তার ক্ষুধা নিবারণ করে তার মুখে হাসি ফোটানো।
কোনো মুসলমান ভাইয়ের প্রয়োজন পূরণের জন্য তার সাথে কোথাও যাওয়া (সাহায্য করা), আমার কাছে মসজিদে নববীতে এক মাস ইতিকাফ করার চেয়েও বেশি প্রিয়।
যে ব্যক্তি রাগ করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও রাগ দমন করে, আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন তার অন্তর আনন্দে ভরে দেবেন।
আর যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের কোনো প্রয়োজন পূরণ করে দেয়, আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন (যেদিন সবার পা টলমল করবে) তার পা স্থির ও মজবুত করে দেবেন।”
রেফারেন্স:
- আত-তারগীব ওয়াত তারহীব (ইমাম মুনযিরী): ৩/৩৪৬-৩৬১
- মাজমাউয যাওয়াইদ (ইমাম হাইসামী): ৮/১৯১
- সহীহুল জামি’স সাগীর (শায়খ আলবানী): হাদিস নং ১৭৬
- আল-মুজামুল কাবীর (ইমাম তাবারানী)
হাদিসের মান: হাসান (আলবানী রহ. অনুসারে হাসান লিগাইরিহি)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন