
কুরআন হাদিস থেকে বাছাইকৃত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ১১টি দুয়া
___________________________
হজ্জের মতো জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সফরে আল্লাহর কাছে কি কি চাইবো তা নিয়ে অনেক মানুষ দ্বিধান্বিত থাকেন। অনেকেই আবার বই সাথে নেন যেগুলোতে অনেক দু'আ থাকে। সেগুলোর মধ্যে থেকে অধিক গুরুত্বপূর্ণগুলো বেছে নেওয়া কষ্টকর হয়ে যায় আবার বই দেখে দেখে দু'আ করলে সেভাবে আবেগও আসে না। এ কারণেই ভাবলাম আমার সাথে যেই আল্লাহর ঘরের মেহমানরা থাকবেন তাদেরকে মাত্র ১০-১২ টা অধিক গুরুত্বপূর্ণ দুয়া দিয়ে রাখি যেনো সেখানে যাওয়ায় আগেই মুখস্থ করে নেন এবং এ থেকে উপকৃত হতে পারেন আর তাদের জন্য এটা ভারিও না হয়।
এখানে যে দুয়াগুলো আছে তা আমার সবচেয়ে পছন্দের প্রথম সারির দুয়া এগুলো। এগুলো থেকে দুয়া করবেন এবং এর বাইরেও আল্লাহর কাছে আপনাদের নিজস্ব পছন্দের দুয়া থাকলে সেগুলো থেকেও আল্লাহর কাছে চাইবেন ইন শা আল্লাহ।
১- দুনিয়া আখিরাতের কল্যাণের জন্য দুয়া-
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারনঃ “রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ ওয়া ফিল আখিরতি হাসানাহ ওয়া কিনা আজাবান্নার”
অর্থ-‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ইহকালে কল্যাণ দান কর এবং পরকালেও কল্যাণ দান কর। আর আমাদেরকে আগুনের-যন্ত্রণা থেকে রক্ষা কর।’(সুরা বাকারা- আয়াত ২০১)
কাতাদা (রাঃ) আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন কোন দোয়া রাসুল (সাঃ) বেশি পড়তেন তখন আনাস (রাঃ) উপরে দুয়াটির কথা বলেছিলেন (মুসলিম)।
২- নিজে এবং নিজের পরিবারের সবার জন্য বিনা হিসাবে, বিনা আযাবে জান্নাতুল ফিরদাউস চাওয়ার দুয়া-
اللهم أدخلنا وأهلنا الجنة الفردوس بغير حساب ولا عذاب
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আদখিলনা ওয়া আহলানা আল জান্নাতাল ফিরদাউস বিগইরি হিসাবিও ওয়া লা আ'যাব।
অর্থঃ ইয়া আল্লাহ তুমি আমাকে আর আমার পরিবারের সবাইকে বিনা হিসাবে, বিনা আযাবে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করো।
৩- নবী (সা.) আল্লাহ তা'আলার কাছে যা যা চেয়েছেন তার সবটা চেয়ে নেওয়া-
‘আয়েশাহ্ রাযিয়াল্লাহু 'আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া
সাল্লাম আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। আমি নামায পড়ছিলাম। তার কি একটা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু আমি তাতে বিলম্ব করলাম । তিনি বলেন : হে 'আয়েশাহ্! তুমি অবশ্যই সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপকার্থক দোয়া করবে।
নামায শেষ করে আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপকার্থক দোয়া কি? তিনি বলেন : তুমি বলো,
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمُ ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِ كُلِّهِ
عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمُ . وَأَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ
النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ ، وَأَسْأَلُكَ مِمَّا سَأَلَكَ بِهِ مُحَمَّدٌ(ﷺ) ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِمَّا تَعَوَّذَ مِنْهُ مُحَمَّدٌ(ﷺ) ، وَمَا قَضَيْتَ لِي مِنْ قَضَاءٍ فَاجْعَلْ عَاقِبَتَهُ رُشْدًا.
উচ্চারণঃ আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিনাল খইরি কুল্লিহী, ‘আজিলিহি ওয়া আজিলীহি, মা ‘আলিমতু মিনহু ওয়া মা লাম আ'লাম। ওয়া আউযুবিকা মিনাশ শাররি কুল্লিহী ‘আজিলিহী ওয়া আজিলিহী, মা ‘আলিমতু মিনহু ওয়া মা লাম আ'লাম। ওয়া আসআলুকাল জান্নাতা ওয়ামা কররাবা ইলাইহা মিন ক্বউলিন আও আমালিন ওয়া আ'উযুবিকা মিনান্নারি ওয়ামা কররাবা ইলাইহা মিন ক্বওলিন আও আমালিন। ওয়া আসআলুকা মিম্মা সাআলাকা বিহী মুহাম্মাদুন (সা.) ওয়া আ'উযুবিকা মিম্মা তা‘আউওযা মিনহু মুহাম্মাদুন (সা.), ওয়া মা কদইতা লিই মিন কদাইন ফাজ‘আল ‘আক্বিবাতাহু রুশদা।
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট বিলম্বে ও অবিলম্বে, আমার জ্ঞাত ও অজ্ঞাত সব রকম কল্যাণ কামনা করছি। আমি তোমার নিকট বিলম্বে ও অবিলম্বে আমার জানা ও অজানা সব রকম ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আমি তোমার নিকট জান্নাত এবং যে কথা ও কাজ জান্নাতের নিকটবর্তী করে দেয় তা প্রার্থনা করছি। আমি তোমার নিকট জাহান্নাম থেকে এবং যে কথা ও কাজ জাহান্নামের নিকটবর্তী করে দেয় তা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি তোমার নিকট সেই জিনিস প্রার্থনা করছি যা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমার নিকট প্রার্থনা করেছেন। আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি সেই জিনিস থেকে যা থেকে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন। আমার ব্যাপারে তুমি যে
ফয়সালা করেছো পরিণামে তাকে (আমার) হেদায়াতের উপায় বানাও।”
(সহীহ; মুসনাদে আহমাদ- ২৪৯০০, সুনানে ইবনে মাজাহ -৩৮৪৬, ইবনে হিব্বান- ২৪১৩, মুসতাদরাকে হাকিম- ১/৫২১, সহীহ জামে'-১৭৭, আদাবুল মুফরাদ- ৬৪৬)
৪- দ্বীনের উপর অটল থাকার দুয়া:
اللَّهُمَّ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ
উচ্চারনঃ আল্লাহুম্মা ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলুব, ছাব্বিত ক্বলবী আ'লা দ্বীনিক
অর্থ:- হে আল্লাহ! হে হৃদয়ের পরিবর্তন কারী! আপনি আমার হৃদয়-কে আপনার দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখুন।
আনাস (রাদিয়াল্লাহু আ'নহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম) বেশি বেশি বলতেন,
"হে হৃদয়সমূহকে বিবর্তনকারী! তুমি আমার হৃদয়কে তোমার দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত রেখো।"
আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার প্রতি এবং আপনি যা আনয়ন করেছেন তার প্রতি ঈমান এনেছি, আপনি কি আমাদের ব্যাপারে ভয় করেন?'
তিনি বললেন, "হ্যাঁ, হৃদয়সমূহ আল্লাহর আঙ্গুলসমূহের মধ্যে দু'টি আঙ্গুলের মাঝে আছে। তিনি তা ইচ্ছামত বিবর্তন করে থাকেন।"(তিরমিযী ২১৪০, ইবনে মাজাহ ৩৮৩৪, মিশকাত ১০২)
৫- আল্লাহর কাছে হেদায়েত ও তাক্বওয়া চাওয়ার দুয়া-
"اللهم إني أسألك الهدى، والتقى، والعفاف، والغنى"
উচ্চারনঃ "আল্লাহুম্মা ইন্নি আস-আলুকাল হুদা ওয়াত-তুকা ওয়াল আ'ফাফা ওয়াল গিনা।"
অর্থ: হে আল্লাহ আমি তোমার কাছে হেদায়েত, তাক্বওয়া, সুস্থতা ও সম্পদ প্রার্থনা করছি।
(সুনানে আত-তিরমিযী: ৩৪৮৯)
৬- দুনিয়া আখিরাতে নিরাপত্তার দুয়া-
আনাস (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি এসে বলল, 'হে আল্লাহর রসূল! কোন দুয়া সর্বশ্রেষ্ঠ?’
তিনি বললেন, 'তুমি চাইবে,
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ
উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল ‘আ-ফিয়্যাতা ফিদ্ দুন্ইয়া- ওয়াল আ-খিরাহ।
অর্থ- হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি দুনিয়া ও আখেরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি।
লোকটি পরের দিন একই প্রশ্ন করলে, তিনি একই উত্তর দিয়েছিলেন। (বুখারীর আল-আদাবুল মুফরাদ ৪৯৬/৬৩৭)
৭- আল্লাহর দেওয়া নিয়ামত কখনো যেন হারিয়ে না যায়-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ وَجَمِيعِ سَخَطِكَ " .
উচ্চারণঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন যাওয়া-লি নি‘মাতিক, ওয়া তাহাও্উলি ‘আ-ফিয়াতিক, ওয়া ফুজা-য়াতি নিক্মাতিক, ওয়া জামী’ই সাখ-তিক”
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই নি‘আমাত দূর হয়ে যাওয়া হতে, তোমার দেয়া সুস্থতা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া থেকে, তোমার অকস্মাৎ শাস্তি আসা হতে এবং তোমার সকল প্রকার অসন্তুষ্টি থেকে।”(মুসলিম- ৬৮৩৭)
৮- মারাত্মক রোগ ব্যাধি থেকে মুক্তির দুয়াঃ
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُنُونِ، وَالْجُذَامِ، وَالْبَرَصِ، وَسَيِّئِ الْأَسْقَامِ»
উচ্চারনঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল জুনুন, ওয়াল জুযাম, ওয়াল বারস, ওয়া সাইয়্যিইল আসকম।
অর্থঃ হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি পাগলামী, কুষ্ঠ রোগ, শ্বেতরোগ এবং অতি বড় রোগ ব্যাধি হতে।
(সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৫৪৯৩
হাদিসের মান: সহীহ হাদিস)
৯- নিজে এবং নিজের বংশধরদের সালাত কায়েমকারী হওয়ার জন্য দুয়া-
ﺭَﺏِّ ﺍﺟْﻌَﻠْﻨِﻲ ﻣُﻘِﻴﻢَ ﺍﻟﺼَّﻼَﺓِ ﻭَﻣِﻦ ﺫُﺭِّﻳَّﺘِﻲ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻭَﺗَﻘَﺒَّﻞْ ﺩُﻋَﺎﺀ
উচ্চারণঃ “রব্বিজ আ’লনি মুকিমাছছলাতি ওয়ামিং যুররিইয়াতি রব্বানা-ওয়া তাকব্বাল দুয়া-
অর্থঃ “হে আমার রব! আমাকে তাদের একজন কর, যারা নিয়মিত সালাত কায়েম করে এবং আমার বংশধরদের মধ্যে থেকেও। হে আমার প্রভু তুমি আমার প্রার্থনা গ্রহণ কর।"(সুরা ইব্রাহিম- আয়াত ৪০)
১০- জীবিত বা মৃত পিতামাতার জন্য দুয়া-
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
উচ্চারণঃ রব্বীর হাম্হুমা-কামা-রব্বাইয়া-নী সগীইরা।
অর্থ :হে আমার রব্ব, তাদের প্রতি দয়া করুন যেভাবে শৈশবে তারা আমাকে লালন-পালন করেছেন (সূরা আল-ইসরা- আয়াত ২৪)
رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ
উচ্চারণঃ রব্বানাগফিরলি অলিওয়া লিদাইয়্যা অ- লিলমুমিনীনা ইয়াওমা ইয়াকুমুল হিসা-ব্।
অর্থ: হে আমাদের রব্ব, যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। (সূরা ইবরাহিম- আয়াত ৪১)
এখানে পিতামাতার পাশাপাশি অন্য মুমিনদের জন্যও ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়েছে । আর রাসুল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি মুসলিম পুরুষ ও মুসলিম নারীদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, তাহলে প্রত্যেক মুসলিমের জন্য একটি করে সওয়াব আল্লাহ তার আমল নামায় লিখে দেবেন। (ত্বাবরানী, শাইখ আলবানী হাদীছটিকে হাসান সহিহ বলেছেন। (সহীহুল জামে হা/৬০২৬)
★হাদিসটা নিয়ে একটু চিন্তা করে দেখুন, বর্তমান পৃথিবীতেই ২০০ কোটির উপরে মুসলিম রয়েছে আর আদম (আঃ) থেকে শুরু করে কিয়ামত পর্যন্ত মুসলিমের সংখ্যা কত হবে সেটা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু তা’লা ছাড়া আর কারো পক্ষেই জানা সম্ভব নয় অথচ তাদের জন্য ১ বার ক্ষমা চাইলেই আপনি সেই সংখ্যক নেকী পেয়ে যাবেন যার পরিমাণ কোন মানুষের কল্পনায়ও আসবে না।ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন সওয়াব পেয়ে যাবেন প্রতি বার বলাতে। ইসলামের সৌন্দর্য দেখুন, ইসলাম শুধু নিজের কথা চিন্তা করতে বলে না বরং অন্যদের কল্যাণ কামনা, তাদের প্রতি বিদ্বেষ না রাখা, তাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এটাও শরীয়তে বিরাট ইবাদত হিসাবে বিবেচিত। আর সেই কারনেই দেখা যাচ্ছে মুসলিম ভাই বোনদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়াতে তিনি এত পরিমাণ সওয়াব নির্ধারণ করেছেন যেটা আর কোথাও পাওয়া যায় না।
১১- ভাল মৃত্যু লাভের দুয়া:
اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ حُسْنَ الْخَاتِمَةِ
উচ্চারনঃ আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খ-তিমাহ
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উত্তম মৃত্যু চাই।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন